kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

পাবনায় আগাম আবাদি পেঁয়াজের বাম্পার ফলন

আহমেদ উল হক রানা, পাবনা   

৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাবনায় আগাম আবাদি পেঁয়াজের বাম্পার ফলন

লাগামহীন পেঁয়াজের বাজারের নিয়ন্ত্রণ নিতে বাজারে আসছে মূলকাটা পেঁয়াজ। আগাম জাতের এই পেঁয়াজ এরই মধ্যে হাট-বাজারে আসতে শুরু করেছে। কৃষি কর্মকর্তাদের আশা আর চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে বাজারে পুরোপুরি চলে আসবে এই পেঁয়াজ। আগাম জাতের এই পেঁয়াজ বাজারে আসার সঙ্গে সঙ্গেই লাগামহীন পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল অবস্থায় চলে আসবে বলে ধারণা কৃষি কর্মকর্তা, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্ট সবার।

কৃষি বিভাগের পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, দেশের সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ আবাদ হয় পাবনায়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পাবনার উপপরিচালক মো. আজহার আলী কালের কণ্ঠকে জানান, গত আবাদ মৌসুমে দেশে মোট পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছিল ২৩ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে পাবনা জেলায় আবাদ হয়েছিল সাড়ে ছয় লাখ মেট্রিক টনের কিছু বেশি।

কৃষি বিভাগ বলছে, এবার পাবনা জেলার ৯ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে আগাম জাতের মূলকাটা পেঁয়াজ আবাদ লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর বিপরীতে পেঁয়াজ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এক লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পাবনার উপপরিচালক জানান, এই ৯ হাজার ৮০০ হেক্টর জমির মধ্যে সাড়ে ছয় হাজার হেক্টরের বেশি জমির পেঁয়াজ আগামী ৮ থেকে ১০ দিনের মধ্যেই বাজারে আসবে। বাকি জমির পেঁয়াজ বাজারে চলে আসবে পর্যায়ক্রমে। তাঁদের হিসাবে চলতি বছরের শুরুর দিকে বন্যা ও বন্যা-পরবর্তী সময়ে ভারি বর্ষণে জেলায় পেঁয়াজের বীজের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় আবাদ মৌসুমের শুরুতে পেঁয়াজ বীজের বেশ সংকট দেখা দেয়। পাশাপাশি আগাম জাতের মূলকাটা পেঁয়াজ রোপণের সময় বৃষ্টিপাত হওয়ায় শত শত হেক্টর জমির পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যায়। এর পরেও কৃষকরা উদ্যম না হারিয়ে পেঁয়াজ রোপণ করেন। এরপর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হবে বলে তাঁরা এখন নিশ্চিত হয়েছেন।

পাবনা জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ আবাদ হয় সুজানগর উপজেলায়। কৃষি বিভাগ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, এ বছর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে আগাম মূলকাটা পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৮০০ হেক্টর জমিতে। কিন্তু অনুকূল আবহাওয়ার কারণে আবাদ হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫০ হেক্টর বেশি জমিতে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা