kalerkantho

সোমবার । ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ১ পোষ ১৪২৬। ১৮ রবিউস সানি                         

মুনাফা কমল ডিএসইর

শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ লভ্যাংশ দেবে
মুজিববর্ষ পালনে আহ্বায়ক কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মুনাফা কমল ডিএসইর

মন্দাবস্থার কারণে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেডের (ডিএসই) মুনাফা কমে গেছে। চার বছর ধরেই কম্পানিটির মুনাফা নিম্নমুখী, ক্রমাগতভাবে কমছে মুনাফার পরিমাণ। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের হিসাবে কম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।

২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের হিসাবে কম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ডিএসই থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়ে বলা হয়, কম্পানির আর্থিক কার্যক্রম, রক্ষিত লাভ ও বর্তমান তারল্য পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর ৫৮তম বার্ষিক সাধারণ সভায় শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন সাপেক্ষে লভ্যাংশ বিতরণ হবে।

জানা যায়, ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে ডিএসইর শেয়ারপ্রতি আয় ০.৫৪ টাকা। সেই হিসাবে কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৯৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। এর বিপরীতে ৫ শতাংশ লভ্যাংশে ব্যয় হবে ৯০ কোটি ১৯ লাখ টাকা। বাকি সাত কোটি ২৯ লাখ টাকা রিজার্ভে যোগ হবে।

অন্যদিকে ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে ডিএসই শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ০.৫৮ টাকা। নিট মুনাফা হয়েছিল ১০৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে মুনাফা হয় ১৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা। ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে মুনাফা হয় ১১৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা। ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে মুনাফা ১৩৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা, ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে মুনাফা হয় ১৩৪ কোটি টাকা।

এক হাজার ৮০৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ডি-মিউচুয়ালাইজেশনের পর প্রথম ২০১৪-২০১৫ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। ওই বছর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়। পরবর্তী দুই বছর ১০ শতাংশ করে লভ্যাংশ দেওয়া হয়। তবে ২০১৭ সাল থেকে লভ্যাংশ ৫ শতাংশে নেমে আসে।

মুজিববর্ষ পালনে আহ্বায়ক কমিটি : আগামী ২০২০ সাল মুজিববর্ষ পালনের লক্ষ্যে বছরব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে ডিএসই। এই কর্মসূচি পালনের জন্য ডিএসইর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল হাশেমকে আহ্বায়ক ও পরিচালক রকিবুর রহমানকে সহআহ্বায়ক করে ১০ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, ডিএসইর পরিচালক বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া, মনোয়ারা হাকিম আলী, অধ্যাপক ড. এম কায়কোবাদ, অধ্যাপক ড. মাসুদুর রহমান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান, এইচডিএমসি, এএফডাব্লিউসি, পিএসসি, পিএইচডি, হানিফ ভূঁইয়া, মিনহাজ মান্নান ইমন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ইনচার্জ) আবদুল মতিন পাটওয়ারী, এফসিএমএ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা