kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৩ কার্তিক ১৪২৭। ২৯ অক্টোবর ২০২০। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

জি-২০ এর সদস্য হওয়ার স্বপ্ন অর্থমন্ত্রীর

পর্যটনশিল্পে বিনিয়োগ করবে তুরস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পর্যটনশিল্পে বিনিয়োগ করবে তুরস্ক

তুরস্কের আংকারায় সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এবং তুরস্কের সংস্কৃতি ও পর্যটন বিষয়ক মন্ত্রী মেহমেত নুরি এরসয়

তুরস্ক শিল্পসমৃদ্ধ একটি দেশ। ওইসিডি, জি-২০’র মতো সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য। আর আমরা শিল্পসমৃদ্ধ হওয়ার পথে হাঁটছি, জি-২০’র সদস্য হওয়ার স্বপ্ন দেখছি বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বুধবার তুরস্কের আংকারায় তুরস্কের সংস্কৃতি ও পর্যটন বিষয়ক মন্ত্রী মেহমেত নুরি এরসয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি তুলে ধরে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। এ সময় মেহমেত নুরি এরসয় আশ্বস্ত করেছেন যে তিনি বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পে বিনিয়োগ করবেন। সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আল্লামা সিদ্দিকী এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মনোয়ার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ গত ১০ বছরে ৭ শতাংশের ওপরে প্রবৃদ্ধি অর্জনে সমর্থ হয়েছে। এ বছর ৮.১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। আমরা আগামী বছর ৮.২৫ শতাংশ থেকে ৮.৩০ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের প্রত্যাশা করছি। ২০২৪ সাল নাগাদ জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়াবে ১০ শতাংশে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন সূচক অনুসারে, দ্রুততম সময়ে দারিদ্র্য হ্রাসকারী দেশগুলোর মধ্যেও বাংলাদেশের অবস্থান শীর্ষে।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং অত্যন্ত আকর্ষণীয় প্রণোদনার সুযোগ গ্রহণের মাধ্যমে অধিক হারে মুনাফার সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশে। সুযোগ রয়েছে তরুণ ও বর্তমান জনসংখ্যার সুবিধা নেওয়ার। কেননা বর্তমানে বাংলাদেশে জনমিতিক লভ্যাংশের ‘ডেমোগ্রাফিক ডেভিডেন্ট’ সুযোগ বিদ্যমান।

তুরস্কের সংস্কৃতি ও পর্যটন বিষয়ক মন্ত্রী মেহমেত নুরি এরসয় বলেন, বাংলাদেশের অগ্রগতি সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। বাংলাদেশ একটি উদীয়মান অর্থনৈতিক তারকা। তুরস্ক ও বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। যদিও দুই দেশের বাণিজ্য পরিসর ততটা ভালো নয়। তবে যাতে করে বাণিজ্য পরিসর আরো বাড়ানো যায়, সেটাই এখন আমাদের প্রচেষ্টা।

এরপর বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বাণিজ্য বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সাহায্যসংশ্লিষ্ট যৌথ ইশতেহার সই হয়। বাংলাদেশের পক্ষে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এবং তুরস্কের পক্ষে সই করেন সেই দেশের সংস্কৃতি ও পর্যটন বিষয়ক মন্ত্রী মেহমেত নুরি এরসয় স্বাক্ষর করেন।

মন্তব্য