kalerkantho

বুধবার । ২২ জানুয়ারি ২০২০। ৮ মাঘ ১৪২৬। ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

অর্থমন্ত্রণালয়ের আরো যেসব সুপারিশ

২১ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অর্থমন্ত্রণালয়ের আরো যেসব সুপারিশ

♦ মার্জিন ঋণ থেকে উদ্ভূত নেগেটিভ ইক্যুইটির বিষয়ে অতিদ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ।

♦ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড বাড়ানো ও বাজারকে স্থিতিশীল করার জন্য নতুন স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড গঠন করা।

♦ অ-তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কম্পানিকে বাজারে আনার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা ও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির বাধ্যবাধকতার শর্ত আরোপ। তালিকাভুক্ত ও অ-তালিকাভুক্ত কম্পানির করপোরেট করহারের পার্থক্য ১৫ শতাংশ করা।

♦ বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষায় বিনিয়োগ শিক্ষা কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।

♦ নতুন পণ্য প্রচলনের জন্য স্টক এক্সচেঞ্জদ্বয়ের বাজার উন্নয়ন বিভাগের কার্যক্রমে গবেষণা জোরদার করতে হবে। নতুন পণ্য সরবরাহ বৃদ্ধির জন্য ইস্যুয়ার ও বিনিয়োগকারীদের কর ও রাজস্ব সুবিধা প্রদান করতে হবে।

♦ তালিকাভুক্ত কম্পানির আর্থিক প্রতিবেদনের গুণগত মান বৃদ্ধি ও সঠিকতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে স্টক এক্সচেঞ্জের করপোরেট ফাইন্যান্স বিভাগকে আরো শক্তিশালী করা।

♦ পেনশন ফান্ড, প্রভিডেন্ট ফান্ড ও ইনস্যুরেন্স ফান্ডসহ অন্যান্য বিনিয়োগযোগ্য ফান্ড বৃদ্ধি করে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ উৎসাহ দেওয়া।

♦ জিরো-কুপন বন্ডের মতো অন্যান্য বন্ডের ক্ষেত্রে কর সুবিধা প্রদান।

♦ নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণে এবাং তার বিশ্বাসযোগ্যতার বৃদ্ধির জন্য ফিন্যানশিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ।

♦ বিনিয়োগ শিক্ষা কার্যক্রমকে সব স্তরে ও সব ধরনের জনগণের জন্য বিস্তৃত্ব করতে হবে।

♦ সংবেদনশীল পুঁজিবাজার সম্পর্কে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সিকিউরিটিজ আইন ও বিধিমালা মোতাবেক মতামত প্রদান করতে হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা