kalerkantho

রবিবার । ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৭ রবিউস সানি                    

পিকেএসএফের উন্নয়ন মেলা

ব্যাংক নিয়ে শঙ্কিত : পরিকল্পনামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ব্যাংক নিয়ে শঙ্কিত : পরিকল্পনামন্ত্রী

খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়া, একের পর এক ঋণ জালিয়াতির খবর, ঋণের সুদের হার এক অঙ্কের ঘরে না আসাসহ নানা কারণে ব্যাংক খাত নিয়ে চলমান আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই এবার ব্যাংক নিয়ে নিজের শঙ্কার কথা জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

গতকাল সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) আয়োজিত উন্নয়ন মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘ব্যাংক নিয়ে আমরা শঙ্কিত। বেকায়দায় আছি। ব্যাংক নিয়ে নানাভাবে বিভিন্ন জায়গা থেকে বকাঝকা খাচ্ছি। নানা জায়গা থেকে বকাঝকা খাওয়ার মধ্যেই বাস করতে হচ্ছে। এর পরও আমরা চাই, ব্যাংকগুলো তাদের নিজস্ব বোর্ড, নিজস্ব নিয়ম-কানুন বিধি-বিধানের মধ্য দিয়ে চলুক। আমরা সেখানে হস্তক্ষেপ করতে চাই না। সকাল-বিকাল ব্যাংকে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ আমাদের লক্ষ্য নয়। আমাদের প্রধানমন্ত্রীরও সে ধরনের কোনো উদ্দেশ্য নেই।’

পিকেএসএফ চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহেমদ পলক, পিকেএসএফ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুদ্দিন আবদুল্লাহ, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জসীম উদ্দিনসহ অন্যরা।

পরিকল্পনামন্ত্রী সম্প্রতি তাঁর কেনিয়া সফরের কথা উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশ সম্পর্কে এখন বিশ্বের মানুষ উচ্চ ধারণা পোষণ করে। দারিদ্র্য বিমোচন থেকে শুরু করে দেশের আর্থ-সামাজিক পরিবর্তনের ঢেউ আফ্রিকার দেশ, আমেরিকাসহ ইউরোপে গিয়েও পড়েছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে একটা ট্রেন্ড চালু হয়েছে, ঠাকুর খোঁজার জন্য বিদেশে চোখ দিই। ঠাকুর খোঁজার জন্য বিদেশে যেতে হবে না; আমাদের দেশেই ঠাকুর আছে।’

পরিকল্পনামন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি পীড়িত হই যখন অনেক অনুষ্ঠানে গিয়ে দেখি হলভর্তি সবাই বাঙালি, কোনো বিদেশি অতিথি নেই। সবাই বাংলা ভাষায় কথা বলেন। কিন্তু সেখানে পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয় ইংরেজি ভাষায়। মূল প্রবন্ধসহ সব কিছু উপস্থাপন হয় ইংরেজিতে। মুখে বলে বাংলা কিন্তু প্রবন্ধ দেখা যায় ইংরেজি ভাষায়। এটা এই জাতির জন্য হীনম্মন্যতা।’ আমরা নিজেরা নিজেদের সম্মান দিচ্ছি না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার বলেন, ‘গত এক দশকে দারিদ্র্য বিমোচনে বর্তমান সরকার অসম্ভব সফলতা অর্জন করেছে। এই সফলতার পেছনে নিশ্চয়ই পিকেএসএফের অবদান রয়েছে।’

জুনাইদ আহেমদ পলক বলেন, ‘বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতিহারে আমার গ্রাম আমার শহর বিনির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আমরা ২০২৩ সালের মধ্যে আরো ১০ লাখ তরুণকে আইসিটিতে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব। দেশের ২৮টি এলাকায় আইটি সেন্টার করা হবে।’ দুই বছরের মধ্যে আরো দুই হাজার সেবা অনলাইনে নিয়ে আসা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা