kalerkantho

সোমবার । ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ১ পোষ ১৪২৬। ১৮ রবিউস সানি                         

ঘূর্ণিঝড়ে ৩২৬৫ মাছের ঘের প্লাবিত শ্যামনগরের

সাড়ে ছয় কোটি টাকার ক্ষতি

শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি   

১৫ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডবে সাতক্ষীরার চিংড়ি চাষিরা সাড়ে ছয় কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছেন। সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা, পদ্মপুকুর, মুন্সীগঞ্জ, আটুলিয়া, রমজাননগর ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন ঘুরে দেখা যায় অতি বৃষ্টির কারণে বেশির ভাগ মৎস্য ঘের প্লাবিত হয়েছে। চাষিদের ঘেরের মাছ ভেসে গেছে।

গাবুরা চকবারা গ্রামের মাছ চাষি ফিরোজ, আবুল হোসেন, পদ্মপুকুর ইউনিয়নের পাতাখালী গ্রামে হাবিবুর রহমান ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের দাতিনাখালী গ্রামে আব্দুর রহিমসহ অন্য মৎস্যরা চাষি জানান, তাঁরা পুরোপুরি মাছ চাষের ওপর নির্ভরশীল। ঘের ভেসে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন। মহাজনের ঋণের চিন্তায় চাষিরা হতাশ। এ ধরনের অভিব্যক্তি উপজেলার হাজারো মাছ ব্যবসায়ীর। তবে সরকারিভাবে সহায়তা পেলে নতুনভাবে মাছ চাষ করে চাষিরা ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

শ্যামনগর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ফারুক হোসাইন সাগর বলেন, উপজেলায় ১৭ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে ১৬ হাজার ৩২৮টি মৎস্য ঘেরের মধ্যে তিন হাজার ২৬৫টি মাছের ঘের সম্পূর্ণ প্লাবিত হয়েছে। এতে ২৬২.৫০ টন চিংড়ি ভেসে গিয়ে চাষিদের সাড়ে ছয় কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। বিঘাপ্রতি দুই-তিন কেজি চুন ছিটিয়ে নতুনভাবে চিংড়ির পোনা ছাড়ার জন্য চাষিদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

তা ছাড়া চিংড়ি ঘেরের বেড়িবাঁধ উঁচু করে নির্মাণ করতে বলা হচ্ছে। যাতে অতি বৃষ্টির কারণে প্লাবিত না হতে পারে। চলতি অর্থবছর শ্যামনগর হতে আট হাজার ৭৫০ টন বাগদা চিংড়ি রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়। তবে বুলবুল তাণ্ডবে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত হবে—এমন শঙ্কা প্রকাশ করেছেন মৎস্য কর্মকর্তা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা