kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

পুঁজিবাজারে সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেন

বসুন্ধরা গ্রুপের দুই কম্পানির লভ্যাংশ

বসুন্ধরা পেপার মিলস ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে
মেঘনা সিমেন্ট মিলস দিচ্ছে ১০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কম্পানি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত হিসাবে বসুন্ধরা পেপার মিলস লিমিটেড ১৫ শতাংশ নগদ ও মেঘনা সিমেন্ট মিলস লিমিটেড ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ (১০ নগদ আর ৫ বোনাস) ঘোষণা করেছে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

ডিএসইর ওয়েবসাইট অনুযায়ী, বসুন্ধরা পেপার মিলস ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে, যা শুধু শেয়ারহোল্ডাররাই পাবেন তবে কম্পানির স্পন্সর ও পরিচালকরা এই লভ্যাংশ পাবেন না।

কম্পানি জানায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের হিসাব শেষে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১.৬৮ টাকা। নেট সম্পদ মূল্য ৪২.০৮ টাকা। কম্পানিটির শেয়ারহোল্ডার নির্বাচনে রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২ ডিসেম্বর আর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে ২৪ ডিসেম্বর। ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি অব বসুন্ধরার পুষ্পগুচ্ছ হলে এই সভা অনুষ্ঠিত হবে।

মেঘনা সিমেন্ট মিলস লিমিটেড আর্থিক হিসাব বছর শেষে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। যার মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ আর ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। বোনাস লভ্যাংশ দিয়ে কম্পানিটি প্রকল্পের সক্ষমতা বাড়াবে।

চলতি বছরের জুন শেষে মেঘনা সিমেন্টের ইপিএস দাঁড়িয়েছে ২.৯২ টাকা। নেট সম্পদ মূল্য ৩৩.১৯ টাকা। কম্পানিটির শেয়ারহোল্ডার নির্বাচনে রেকর্ড ডেট ২ ডিসেম্বর আর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে ১৯ ডিসেম্বর। ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি অব বসুন্ধরার গুলনকশা হলে এই সভা অনুষ্ঠিত হবে।

পুঁজিবাজারে সূচক কমলেও লেনদেন বেড়েছে : সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস গতকাল মঙ্গলবার ডিএসইর মূল্যসূচক কমলেও আগের দিনের চেয়ে লেনদেন বেড়েছে। অপর বাজার সিএসই সূচকের সঙ্গে লেনদেনও বেড়েছে। তবে দুই বাজারেই বেশির ভাগ কম্পানির শেয়ারের দাম হ্রাস পেয়েছে।

গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৯২ কোটি ৫০ লাখ টাকা আর সূচক কমেছে ২.২৯ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ২৯৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকা আর সূচক বেড়েছিল ৯ পয়েন্ট।

লেনদেন শুরুর পর শেয়ার কেনার চাপে মূল্যসূচক বাড়লেও শেষ পর্যন্ত স্থায়ী হয়নি। বিক্রির চাপে সূচক কমার মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। দিন শেষে সূচক দাঁড়িয়েছে চার হাজার ৭৭৯ পয়েন্ট। ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ০.০৪ পয়েন্ট কমে এক হাজার ৬৬৪ পয়েন্ট ও ডিএসইএস শরিয়াহ সূচক ৩ পয়েন্ট বেড়ে এক হাজার ৯৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া কম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৮টির, কমেছে ১৯৪টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২টি কম্পানির শেয়ারের দাম।

অপর বাজার সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩০ কোটি ১১ লাখ টাকা। আর সূচক বেড়েছে প্রায় ৮ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৩৪ কোটি ১৪ লাখ টাকা আর সূচক বেড়েছিল ২৩ পয়েন্ট। মঙ্গলবার লেনদেন হওয়া ২৫৪ কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৯১টির, দাম কমেছে ১৩৬টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৭ কম্পানির শেয়ারের দাম।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা