kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল<>বন্দরের নিজস্ব অ্যালার্ট-৪ জারি

চট্টগ্রাম বন্দর জাহাজশূন্য

নিজস্ব প্রতিবেদক চট্টগ্রাম   

১০ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চট্টগ্রাম বন্দর জাহাজশূন্য

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে চট্টগ্রাম বন্দরের সব জেটি জাহাজশূন্য করা হয়েছে; ১৮টি জেটিতে এখন কোনো জাহাজ নেই। ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে গতকাল শনিবার সকাল ৯টার মধ্যেই জোয়ারের সময় জেটিতে থাকা সব জাহাজ বহির্নোঙরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। অবশ্য এর আগেই জারি করা হয়েছে বন্দরের নিজস্ব অ্যালার্ট-৪।

অ্যালার্টের কারণে গত শুক্রবার রাতেই কর্ণফুলী নদীতে থাকা সব ছোট জাহাজ কর্ণফুলী সেতুর উজানে নিরাপদ দূরত্বে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। গতকাল সকাল থেকে বন্দর জেটিতে পণ্য ওঠানামা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে, জেটিতে থাকা সব যন্ত্রপাতি নিরাপদে সরিয়ে রাখা হয়েছে। কনটেইনারগুলো তিন স্তর উঁচু থেকে নামিয়ে দুই স্তরে রাখা হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ডেপুটি কনজারভেটর ক্যাপ্টেন ফরিদুল আলম কালের কণ্ঠকে বলেন, অ্যালার্ট-৪ জারি করায় বহির্নোঙরে অবস্থানকারী সব জাহাজকে সার্বক্ষণিক ইঞ্জিন সচল রেখে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেটি ও টার্মিনালকে পুরোপুরি জাহাজশূন্য রাখা হয়েছে। নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে বন্দর জলসীমায় তদারকি করা হয়েছে। আর ভ্যাসেল ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমের (ভিটিএমআইএস) মাধ্যমেও সব জাহাজের নজরদারি নিশ্চিত করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে বহির্নোঙরে পণ্যবাহী দেড় শটি জাহাজ অবস্থান করছে। আজ রবিবার সকালে বুলবুল অতিক্রম করে যাওয়ার পর জাহাজগুলো জেটিতে ভেড়ার সুযোগ পাবে।

এদিকে সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে শুক্রবার থেকেই একটি সার্বক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ; সেখানে একজন পাইলট দায়িত্ব পালন করছেন।

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে মোংলা সমুদ্রবন্দরে অবস্থানরত সব রকম দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজে পণ্য ওঠানামার কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। বন্দরে ১৪টি বাণিজ্যিক জাহাজ আছে। একই সঙ্গে বন্ধ রাখা হয়েছে জাহাজ আগমন ও বন্দর ত্যাগ। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার কমান্ডার শেখ ফকর উদ্দিন গতকাল এ তথ্য জানান।

হারবার মাস্টার কমান্ডার শেখ ফকর উদ্দিন জানান, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। সন্ধ্যায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত জারির পর জরুরি বৈঠক শেষে বন্দর কর্তৃপক্ষ নিজস্ব এলার্ট-০৪ জারি করেছে। মোংলায় ৮৪টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা