kalerkantho

সোমবার । ১৮ নভেম্বর ২০১৯। ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

এক ছাতায় ৩৯ সরকারি প্রতিষ্ঠানের ২০৮ সেবা

ফারজানা লাবনী, সিলেট থেকে   

২১ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এক ছাতায় ৩৯ সরকারি প্রতিষ্ঠানের ২০৮ সেবা

সিলেটে এনবিআর আয়োজিত কর্মশালায় বক্তব্য দেন খন্দকার আমিনুর রহমান। ছবি : কালের কণ্ঠ

আমদানি-রপ্তানি সহজ করতে একই প্ল্যাটফর্মে ৩৯ সরকারি প্রতিষ্ঠানের ২০৮ সেবা প্রদানে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে এ সেবা প্রদান করতে সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সিলেটে এক হোটেলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল সিঙ্গেল উনডোর (এনএসডাব্লিউ) লক্ষ্য ও কর্মপরিকল্পনা’ বিষয়ে তিন দিনব্যাপী এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন এসব কথা জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন এনবিআর সদস্য খন্দকার আমিনুর রহমান, সদস্য মাসুদ সাদিক, আইএফসির বেসরকারি খাতবিষয়ক বিশেষজ্ঞ নুসরত নাহিদ বাবি। সভাপতিত্ব করেন সিলেটের কাস্টমস এক্সাইজ অ্যান্ড ভ্যাট কমিশনার গোলাম মো. মনির।

এনবিআর চেয়ারম্যান ব্যস্ততার কারণে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় এনবিআরের মূল দপ্তর থেকে অনলাইনে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। তিনি আরো বলেন, ‘দেশে বিনিয়োগের গতি বাড়াতে নতুন এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এতে একজন বিনিয়োগকারী আমদানি-রপ্তানিসংক্রান্ত সব সেবা অতি দ্রুত পাবেন। তাঁকে সরকারি অফিসে অফিসে আর ঘুরতে হবে না। নতুন এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি-রপ্তানির সুযোগ কমে যাবে।’

অনুষ্ঠানে খন্দকার মো. আমিনুর রহমান বলেন, ‘বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে ক্ষেত্রবিশেষে আমদানি কাজে আট দিন এবং রপ্তানি কাজে পাঁচ দিন ব্যয় হয়। নতুন এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে এসব কার্যক্রম আট ঘণ্টায়ও সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এরই মধ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়নে বিভিন্ন ধাপে কাজ শুরু হয়েছে।’

অনুষ্ঠান থেকে জানা যায়, বিশ্বব্যাংকের ৭৪ দশমিক ১ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে এ নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে আমদানি-রপ্তানিসংক্রান্ত কাজে আমদানি-রপ্তানিকারকরা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংঘনিরোধ বিভাগ, প্রধান আমদানি-রপ্তানি নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর, পশু সম্পদ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ, বিআইডাব্লিউটিএ, বিডা, চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর, বিস্ফোরক অধিদপ্তর, পরমাণু শক্তি কমিশন, বিএসটিআই, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, বেজা, বেপজা, বিটিআরসি, এনবিআর, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ ৩৯ প্রতিষ্ঠানের সেবা একই প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাবে। এ প্রকল্পের সব কার্যক্রম অনলাইনে পরিচালিত হবে।

২০১৭ সালের এপ্রিলে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ ন্যাশনাল উনডো প্রকল্পের কার্যক্রম শুরুর প্রস্তাব করে। ২০১৭ সালে একনেকে তা অনুমোদন হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা