kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ নভেম্বর ২০১৯। ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

‘পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধির কারণ মিয়ানমার’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গত মাসে ভারত রপ্তানি বন্ধের পর বাংলাদেশে বেড়ে গিয়েছিল পেঁয়াজের দাম। সরকার অন্য দেশ থেকে আমদানি বাড়ানোসহ নানা পদক্ষেপে দাম কিছু কমলেও গত কয়েক দিনে আবার ঊর্ধ্বমুখী এই নিত্যপণ্যের বাজার। সর্বশেষ দরের এই ঊর্ধ্বগতির জন্য মিয়ানমারে ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে কারণ দেখিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলছেন, এই পরিস্থিতি অচিরেই ঠিক হয়ে যাবে।

বৌদ্ধদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা রবিবার পালিত হয়েছে। মিয়ানমারে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষই বৌদ্ধ। বাংলাদেশে পেঁয়াজের বার্ষিক চাহিদা ২৪ লাখ মেট্রিক টনের মতো। দেশে উৎপাদনের পর ১০ থেকে ১১ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়, যার বেশির ভাগই আসে ভারত থেকে।

বন্যার কারণে উৎপাদন কম হওয়ায় গত সেপ্টেম্বর মাসের শেষ দিকে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করার ঘোষণা দেয়; তখন বাংলাদেশে পেঁয়াজের দাম ৩০ টাকা থেকে ১০০ টাকায় উঠে যায়।

পরিস্থিতি সামাল দিতে তখন মিয়ানমার থেকে আমদানি বাড়িয়ে দেয় সরকার। এটিসহ নানা পদক্ষেপে দাম কিছুটা কমলেও কয়েক দিন ধরে ৮০ থেকে ৯৫ টাকায় উঠে গেছে দাম।

গতকাল সোমবার পাট মন্ত্রণালয়ে এক অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রীকে পেয়ে সাংবাদিকরা পেঁয়াজের দাম নিয়ে প্রশ্ন করেন।

জবাবে তিনি বলেন, ‘মিয়ানমারে ধর্মীয় একটি অনুষ্ঠানের কারণে দুই-তিন দিন তাঁদের রপ্তানি বন্ধ, ওইটা বন্ধ হওয়ার কারণে দুই-তিন দিনে দামটা বেড়েছে।’

সরকারও সচেষ্ট জানিয়ে টিপু মুনশি বলেন, ‘যেহেতু আমাদের সোর্স (ভারত) যেটা ছিল, সেটা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে আমাদের হঠাৎ করে চাপ পড়েছে। মিয়ানমারের ঝামেলাও মিটে গেছে। সাপ্লাই শুরু হয়ে যাবে। তারপর অন্য জায়গা থেকেও আনব।’

ট্যারিফ কমিশনের হিসাবে বাজারে পেঁয়াজের ঘাটতি নেই। ফলে মিয়ানমার থেকে কয়েক দিন আমদানি বন্ধ থাকলে তার প্রভাব ঢাকার বাজারেও পড়ার কথা নয় বলে স্বীকার করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা