kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি বেড়েছে

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি   

১৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি বেড়েছে

মিয়ানমার থেকে টেকনাফ স্থলবন্দর হয়ে আমদানি করা পেঁয়াজ খালাস হচ্ছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। দেশের পেঁয়াজের চাহিদা পূরণ করতে আমদানিকারকরা আগের চেয়ে বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানি করছেন। মিয়ানমার থেকে বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ আসায় এবং জেলা প্রশাসনের বাজার মনিটরিংয়ের কারণে স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের দাম এখন অনেকটা নিয়ন্ত্রিত রয়েছে। তবে আমদানিকারকদের অভিযোগ, বন্দর শ্রমিক অব্যবস্থাপনায় পেঁয়াজ খালাসে বিলম্ব হওয়ায় ট্রলারে পচে যাচ্ছে পেঁয়াজ।

স্থলবন্দর কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, গতকাল রবিবার মিয়ানমার থেকে স্থলবন্দরে ৭৬০ দশমিক ৫৮৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। গত ১ অক্টোবর থেকে গতকাল রবিবার পর্যন্ত ১৩ দিনে সাত হাজার ৪৮৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল তিন হাজার ৫৭৩ মেট্রিক টন এবং আগস্ট মাসে আমদানি হয়েছিল মাত্র ৮৪ মেট্রিক টন পেঁয়াজ।

স্থলবন্দর পেঁয়াজ আমদানিকারক এম এ হাশেম বলেন, ‘দেশে পেঁয়াজের চাহিদা মেটাতে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি আরো বাড়ানোর চিন্তা রয়েছে ব্যবসায়ীদের। পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল রাখতেও আমরা নিজেদের পক্ষ থেকে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। তবে আগামীতেও পেঁয়াজের আমদানি অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছি।’ এদিকে মিয়ানমারের পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত থাকায় স্থানীয় পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম এখন আগের চেয়ে কমেছে। কক্সবাজার জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ ৭০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজের মূল্য নির্ধারণ করেছিল। গতকাল টেকনাফ বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্যবসায়ীরা ৬০ থেকে ৬৫ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। তবে এক দিন আগে আরো পাঁচ টাকা কমে ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ বিক্রি করেছিলেন বলে জানান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা