kalerkantho

সোমবার । ২১ অক্টোবর ২০১৯। ৫ কাতির্ক ১৪২৬। ২১ সফর ১৪৪১                       

বিআইবিএমের কর্মশালা

ব্যাংকিং খাতে ডিজিটাইজেশনে বাধা ই-স্বাক্ষরের কম ব্যবহার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১১ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যাংকিং খাতে ডিজিটাইজেশনে বাধা ই-স্বাক্ষরের কম ব্যবহার

কর্মশালায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এবং বিআইবিএমের মহাপরিচালক মোঃ নাজিমুদ্দিনসহ অন্যরা

ব্যাংকিং খাতে ডিজিটাল স্বাক্ষর এবং ই-স্বাক্ষর এখনো ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য হয়নি; যা এ খাতের ডিজিটাইজেশনে বড় বাধা এমন মন্তব্য করে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং খাতের ডিজিটাইজেশনে সহায়ক নীতি ও পরিবেশ প্রয়োজন।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিআইবিএমে ‘ডিজিটাইজেশন অব ডকুমেন্টস ইন ব্যাংকিং অপারেশন’ বিষয়ে গবেষণা কর্মশালায় এ প্রতিবেদন উপস্থাপিত হয়। কর্মশালার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এবং বিআইবিএমের মহাপরিচালক মো. নাজিমুদ্দিন।

স্বাগত বক্তব্য দেন বিআইবিএমের অধ্যাপক মো. নেহাল আহমেদ। সভাপতিত্ব করেন বিআইবিএমের ডঃ মোজাফফর আহমদ চেয়ার প্রফেসর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ডঃ বরকত-এ-খোদা।

বিআইবিএমের মহাপরিচালক নাজিমুদ্দিন বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পরিকল্পনা নিয়েছে। এ লক্ষ্য অর্জনে ব্যাংকিং খাতের ডকুমেন্টস ডিজিটাইজেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

পূবালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক হেলাল আহমদ চৌধুরী বলেন, ব্যাংক পরিচালনায় আইটিতে ভেন্ডরদের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে হবে। ব্যাংকগুলোকে নিজস্ব সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বিএসিএইচ, বিএফটিএন, আরটিজিএস, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, এনপিএসবি, এমএফএসের মতো ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা চালু রয়েছে, যা ব্যাংকিং খাতকে ডিজিটাইজেশনে এগিয়ে নিচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জন, ব্যয় কমানো, দক্ষ সেবা প্রদান, দ্রুত সেবা প্রদান, সুষ্ঠু সমন্বয়, আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে ব্যাংকিং খাতের ডিজিটাইজেশন প্রয়োজন।

বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক ইয়াছিন আলী বলেন, ডিজিটাইজেশনে কিছু ব্যাংক ভালো করছে, আবার কিছু ব্যাংক পিছিয়ে পড়ছে। যারা পিছিয়ে পড়ছে তাদের ডিজিটাইজেশনে আরো মনোযোগী হতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যাংকিং খাতের ডিজিটাইজেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এনআরবি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহমুদ হোসেন বলেন, ব্যাংকিং খাতে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারে সামান্য বিনিয়োগ ও ইচ্ছা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নিজস্ব সক্ষমতা গড়ে না উঠলে ভেন্ডরের সহযোগিতা নেওয়া যেতে পারে।

আইএফআইসি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিতুর রহমান বলেন, ব্যাংকের সঙ্গে এনবিআর এবং দুদকসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলো ডিজিটাইজড হওয়া প্রয়োজন।

সমাপনী বক্তব্যে বিআইবিএমের চেয়ার প্রফেসর ডঃ বরকত-এ-খোদা বলেন, এক দিনে ব্যাংকিং খাতকে পেপারলেস করা সম্ভব নয়। তবে উদ্যোগ নিলে অদূর ভবিষ্যতে তা বাস্তবায়ন হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা