kalerkantho

শুক্রবার । ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৮ রবিউস সানি ১৪৪১     

বাণিজ্য বিরোধে বৈশ্বিক ভ্যালু চেইনে অচলাবস্থা

৩ কোটিরও বেশি মানুষ দারিদ্র্যে নিপতিত হতে পারে : বিশ্বব্যাংক

বাণিজ্য ডেস্ক   

১০ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাণিজ্য বিরোধ ও নতুন প্রযুক্তির কারণে হুমকিতে পড়েছে বৈশ্বিক ভ্যালু চেইন, যা বাণিজ্যিক গতিশীলতা ও দারিদ্র্য হ্রাসে অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গত মঙ্গলবার বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন নতুন সমস্যার কারণে বৈশ্বিক ভ্যালু চেইন প্রবৃদ্ধি গত এক দশকে অনেকটাই নিশ্চল হয়ে গেছে।

একটি পণ্যের উৎপাদন থেকে শুরু করে বাজারজাতকরণ ও ভোক্তার কাছে সরবরাহ-পরবর্তী সেবাসহ পুরো প্রক্রিয়াকে বলা হয় ভ্যালু চেইন। বিশ্বব্যাংকের এ প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈশ্বিক ভ্যালু চেইনে ১৯৯০ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত ত্বরিত প্রবৃদ্ধি আসে, কারণ ওই সময়ে বাণিজ্য বাধা কমে এবং তথ্য-প্রযুক্তি ও পরিবহনব্যবস্থার উন্নয়নে ম্যানুফ্যাকচারিংয়ে গতি আসে। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ প্রক্রিয়াটি উল্টে গেছে ধীর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কারণে। এ ছাড়া বাণিজ্যিক দ্বন্দ্ব একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা ব্যয় সংকোচন ঘটাচ্ছে ও বৈশ্বিক ভ্যালু চেইনে অচলাবস্থা তৈরি করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য দ্বন্দ্বে বৈশ্বিক বাণিজ্য প্রবাহ ব্যাহত হয়েছে। যদি এ দ্বন্দ্ব আরো খারাপের দিকে যায় এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে যায় তবে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ও দারিদ্র্য হ্রাসের যে প্রক্রিয়া তাতে উল্লেখযোগ্য নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তিন কোটিরও বেশি মানুষ দারিদ্র্যে নিপতিত হতে পারে। বৈশ্বিক আয় ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার কমে যেতে পারে। ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর দৃষ্টিতে যাদের দৈনিক আয় ৫.৫০ ডলারের নিচে তাদের দরিদ্র বিবেচনা করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈশ্বিক ভ্যালু চেইনে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে তা উদীয়মান দেশগুলোর জন্য মন্দ খবর। কারণ এ দেশগুলোই ভ্যালু চেইনে বড় ভূমিকা রাখে। যার ফলে বাংলাদেশ, চীন ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলোতে দারিদ্র্য ব্যাপকহারে কমছে। বলা হয়, থ্রি-ডি প্রিন্টিংয়ের মতো নতুন প্রযুক্তিও বৈশ্বিক ভ্যালু চেইনের জন্য বড় হুমকি। রয়টার্স।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা