kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বেনাপোল বন্দরে রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

বেনাপোল প্রতিনিধি   

৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বেনাপোল বন্দরে রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। অবকাঠামো গড়ে না ওঠায় ব্যবসায়ীরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। বাণিজ্য সম্প্রসারণের কথা বিবেচনা করে সরকার এরই মধ্যে চার দেশের মধ্যে (ভুটান, বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল) ট্রানজিট চুক্তি করেছে। এ ক্ষেত্রে উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা লাভবান হবে। কিন্তু অবকাঠামো গড়ে না ওঠায় ব্যবসায়ীরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। এ পথে বাণিজ্য প্রসার করতে হলে অবকাঠামোগত উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। সেই সঙ্গে বাড়বে আমদানি-রপ্তানির পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয়ও। তবে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। দ্রুত এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বন্দরে কোনো সমস্যা থাকবে না। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১৯ লাখ ৮৮ হাজার ৩৫৭ টন পণ্য আমদানির বিপরীতে রাজস্ব আয় হয় চার হাজার ১৬ কোটি ২৪ লাখ টাকা। ওই অর্থবছরেও রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৭৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা কম হয়। তবে বন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলে এ বন্দর দিয়ে আমদানি আরো বাড়বে বলে মনে করে ব্যবসায়ীরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্থলপথে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত, মিয়ানমার ও নেপালের বাণিজ্যিক কার্যক্রম সচল রয়েছে। বাইরের দেশ থেকে আমদানি হওয়া পণ্যের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো শিল্প-কারখানায় ব্যবহৃত কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতি। আর রপ্তানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে কাঁচা পাট ও পাটের তৈরি পণ্য।

বেনাপোল আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সিনিয়র সহসভাপতি আমিনুল হক জানান, দেশের স্থলপথে যত পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়, তার ৭৫ শতাংশ হয় বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে। তবে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো না থাকায় অনেকে আগ্রহ হারাচ্ছে। জরুরি ভিত্তিতে অবকাঠামো উন্নয়নসহ বন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, যদিও বন্দর কর্তৃপক্ষ অবকাঠামো উন্নয়ন করছে, তবে সেটা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। এটা নিয়ে ভারতীয় ব্যবসায়ীদেরও অভিযোগ আছে। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করা হলে এখান থেকে রাজস্ব আদায় দ্বিগুণ হবে।

বেনাপাল স্থলবন্দরের উপপরিচালক (প্রশাসন) আব্দুল জলিল বলেন, বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। কিছু কাজও শুরু হয়েছে। অটোমেশন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ ছাড়া নতুন করে কিছু জায়গা অধিগ্রহণ এবং সিসি ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা আছে। আশা করছি, দ্রুত এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বন্দরের সমস্যা অনেকাংশে কমে আসবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা