kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

পুঁজিবাজার ঊর্ধ্বমুখী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দৃশ্যমান কোনো কারণ না থাকলেও পুঁজিবাজারে শেয়ার বিক্রির চাপ বাড়ছিল। একটানা পতনে বাজার নিম্নমুখী হলে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হয়ে শেয়ার ছেড়ে দেয়। আর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও নিষ্ক্রিয় ছিল।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের সঙ্গে স্টেকহোল্ডারদের বৈঠকের পর গতকাল রবিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) শেয়ার কেনার চাপ বেড়েছে। আর কেনার চাপ বাড়ায় মূল্যসূচকও বেড়েছে। তবে দুই বাজারেই লেনদেন কমেছে।

গত বৃহস্পতিবার স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে বৈঠক করে কমিশন। এতে বাজার পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। এক্সপোজারের নিচে থাকা কম্পানিগুলোর বিনিয়োগ চলতি সপ্তাহে আসবে বলে বৈঠকে জানানো হয়।

রবিবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৭১ কোটি ৬১ লাখ টাকা আর সূচক বেড়েছে ২০ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৪২৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা আর সূচক বেড়েছিল ২৬ পয়েন্ট। সেই হিসাবে সূচক বাড়লেও কমেছে লেনদেন।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, লেনদেন শুরুর পর শেয়ার কেনার চাপ বাড়ায় মূল্যসূচক বৃদ্ধি পায়। বেলা বাড়লে শেয়ার কেনার চাপও বাড়ে। এতে দিনের সূচক বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। দিন শেষে সূচক দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৩৩ পয়েন্ট। ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ৮ পয়েন্ট বেড়ে এক হাজার ৭৬৬ পয়েন্ট ও ডিএসইএস শরিয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে এক হাজার ১৭১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৯টির, দাম কমেছে ১৭২টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৫২ কম্পানির শেয়ারের দাম।

অন্য বাজার সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। আর সূচক বেড়েছে ১৭ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ১৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা। লেনদেন হওয়া কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১০০টির, দাম কমেছে ১১৩টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৮ কম্পানির শেয়ারের দাম।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা