kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

পিবিআইএলের কর্মশালা

দুর্বল প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখতে সমাধান হতে পারে মার্জার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দেশের অর্থনীতি নিরবচ্ছিন্ন প্রবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের করপোরেট খাত এখন পরিণত পর্যায়ে পৌঁছাতে চলেছে। ফলে করপোরেট খাতের বিভিন্ন কৌশলের পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এ পরিবর্তনের কৌশলগুলোর মধ্যে মার্জার ও অ্যাকুইজিশন (এমঅ্যান্ডএ) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষভাবে দুর্বল প্রতিষ্ঠানকে টিকিয়ে রাখতে সমাধান হতে পারে মার্জার। এ জন্য প্রয়োজনে বিদ্যমান আইন সংশোধন করা যেতে পারে। গতকাল রবিবার রাজধানীর হোটেল র‌্যাডিশনে ‘মার্জারস অ্যান্ড অ্যাকুইজিশন : এ পসিবিলিটি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট (পিবিআইবিএল) এ কর্মশালার আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের অধ্যাপক ও ডিন শিবলী রুবাইয়েতুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেন পিবিআইএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. তাবারক হোসেন ভূঁইয়া। আর রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিকন মার্জারস অ্যান্ড অ্যাকুইজিশনের ম্যানেজিং পার্টনার অ্যালেক্স স্টেরিয়েড।

অনুষ্ঠানে শিবলী রুবাইয়েতুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে ভালো। গত কয়েক বছর ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি বাড়ছে। তিনি বলেন, বর্তমানে অনেক বিদেশি কম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করছে। তারা দেশীয় কম্পানির শেয়ার কিনে অধীগ্রহণে আগ্রহী। এ ক্ষেত্রে রবি ও এয়ারটেলের উদাহরণ দেওয়া যায়। ওই দুটি প্রতিষ্ঠান একত্রিত হয়ে এখন ভালোভাবে টিকে রয়েছে। তাঁর মতে, যেকোনো দুর্বল প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখতে মার্জার ও অ্যাকুইজিশন সমাধান হতে পারে। এর জন্য আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনতে হবে। এর নেতিবাচক দিকও আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে আরো সতর্ক হতে হবে।

পিবিআইএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. তাবারক হোসেন বলেন, মার্জার ও অ্যাকুইজিশন উন্নত অর্থনীতির করপোরেট খাতের একটি চালিকাশক্তি হিসেবে প্রমাণিত হলেও বাংলাদেশে এই ধারণাটি তুলনামূলক নতুন। তবে এর ওপর এখন বাংলাদেশ সরকারও জোর দিয়েছে। এ বিষয়ে চলতি অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় ব্যাংক কম্পানি আইন সংশোধনের কথা বলা হয়েছে, যাতে ব্যাংকগুলোর অ্যামালগ্যামেশন, মার্জারস আইনত কার্যকর করা যায়।

অন্য বক্তারা বলেন, দুটি কম্পানি একীভূত হলে ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধি পায়। আর্থিক সক্ষমতার প্রসার ঘটে। তবে একত্রীভূত হওয়ার সঙ্গে কিছু বিরূপ প্রভাব থাকে। এটা থেকে উত্তরণের পদ্ধতি ও কৌশল একীভূত হওয়ার আগেই নির্ধারণ করে নিতে হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একত্রে কাজ করার জন্য প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট ও দি বিকন মার্জার অ্যান্ড অ্যাকুইজিশনসের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। এরপর নলেজ শেয়ারিং বিষয়ক এক সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা