kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সাইবার হামলা ঠেকাতে সচেতনতা ও সক্ষমতা তৈরির বিকল্প নেই

সরকারি কর্মকর্তারা এখনো শতভাগ অফিশিয়াল ই-মেইল ব্যবহার করছেন না। এ নিয়ে আইন হচ্ছে। -আইসিটি প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাইবার হামলা ঠেকাতে সচেতনতা ও সক্ষমতা তৈরির বিকল্প নেই

গতকাল ডিজিটাল সিকিউরিটি এজেন্সি ও প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনীতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহেমদ পলক

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহেমদ পলক বলেছেন, সাইবার হামলা থেকে রক্ষা পেতে সচেতনতা ও সক্ষমতা তৈরির কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, এ ধরনের সক্ষমতা অর্জনে সরকারি-বেসরকারি খাত, ইন্ডাস্ট্রি এবং একাডেমিয়াকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।  

গতকাল রবিবার আগারগাঁওর আইসিটি টাওয়ারের বিসিসি মিলনায়তনে আইসিটি বিভাগের ডিজিটাল সিকিউরিটি এজেন্সি (ডিএসএ) এবং এটুআই উদ্যোগে ‘সরকারি কর্মকর্তাদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে অনলাইন প্রশিক্ষণ’ শীর্ষক কোর্সের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

সাইবার হামলার মাধ্যমে বড় ধরনের ক্ষতি করা সম্ভব উল্লেখ করে পলক বলেন, পুরো দেশ যেখানে ডিজিটাল হচ্ছে সেখানে ঝুঁকিও থাকবে। তবে সেই ঝুঁকি মোকাবেলায় রাষ্ট্র, প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি পর্যায়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করা আবশ্যক।

সরকারি কর্মকর্তারা এখনো দাপ্তরিক কাজে শতভাগ অফিশিয়াল ই-মেইল ঠিকানা ব্যবহার করছেন না উল্লেখ করে পলক বলেন,  বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) থেকে সব কর্মকর্তাকে একটি সরকারি ই-মেইল অ্যাড্রেস দেওয়া হয়, যার শেষে ডট গভ ডট বিডি রয়েছে। তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের সরকারি ই-মেইল ব্যবহার করা উচিত। কারণ একজন ব্যক্তির কারণে পুরো দেশ সাইবার ঝুঁকিতে পড়তে পারে না।

সরকারি কর্মকর্তাদের সরকারপ্রদত্ত ই-মেইল ব্যবহার বিষয়ে আইন তৈরি করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সরকার এরই মধ্যে একটি ‘ই-মেইল পলিসি’ তৈরি করছে, যা চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ বলেন, সরকারি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে অন্তত একটি অনলাইন কোর্স দেওয়ার কথা। এ লক্ষ্যে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানে প্রস্তুত।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব এন এম জিয়াউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ডিজিটাল সিকিউরিটি এজেন্সির মহাপরিচালক রাশেদুল ইসলাম, এটুআইয়ের পলিসি অ্যাডভাইজর আনীর চৌধুরী, ডিএসএর পরিচালক তারেক বরকত উল্লাহ, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি এম এ হাকিম প্রমুখ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা