kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ফিলিপাইনের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চায় ডিসিসিআই

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফিলিপাইনের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চায় ডিসিসিআই

ফিলিপাইন ও বাংলাদেশের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) সভাপতি ওসামা তাসির। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে তিনি ঢাকা ও ম্যানিলার মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপন, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর, সিঙ্গেল কান্ট্রি ফেয়ার আয়োজন এবং বাণিজ্য প্রতিনিধিদল আদান-প্রদানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ডিসিসিআই আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-ফিলিপাইন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। গতকাল সোমবার ডিসিসিআইতে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ-ফিলিপাইন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিপিসিসিআই) সহযোগিতায় আয়োজিত এ সেমিনারে ফিলিপাইনে ডিপার্টমেন্ট অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহকারী পরিচালক এগনেস পারপেচুয়া লেগাসপির নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের ফিলিপাইনের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। এ ছাড়া তারা বিজনেস ম্যাসমেকিংয়ে অংশ নেয়।

সেমিনারের স্বাগত বক্তব্যে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি বলেন, বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময় এবং ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দুই দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৬৫ কোটি ডলার। তিনি বাংলাদেশের কৃষি ও খাদ্য উৎপাদন, প্যাকেজিং, তথ্য-প্রযুক্তি, ইলেকট্রনিকস এবং পর্যটন খাতের উন্নয়নে ফিলিপাইনের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য স্থানীয় উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান, পাশাপাশি তৈরি পোশাক, ওষুধ ও সিরামিক খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর জন্য ফিলিপাইনের ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান।

সেমিনারে ঢাকায় নিযুক্ত ফিলিপাইনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স লি মার্কো সি ভিদাল, ফিলিপাইনের কমার্শিয়াল এটাচি জেরিমায়া সি রাইয়েদ, বাংলাদেশ-ফিলিপাইন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ও ডিসিসিআই পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আকবর হাকিম উপস্থিত ছিলেন।

ফিলিপাইনের কমার্শিয়াল এটাচি জেরিমায়া সি রাইয়েদ বলেন, বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের বাণিজ্য বৃদ্ধিতে এ ধরনের বাণিজ্য আলোচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার বাণিজ্যযুদ্ধ আমাদের মতো দেশগুলোর জন্য একদিকে যেমন সম্ভাবনার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে, অন্যদিকে ঝুঁকিও বেড়েছে এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুবিধা গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মানবসম্পদের দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন বলে মত প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত ভিসেন্টি ভিভেনসিও টি বান্ডেলিওর অনুপস্থিতিতে তাঁর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স লি মার্কো সি ভিদাল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা