kalerkantho

দক্ষ জনবল তৈরিতে ভারতকে পাশে চায় এফবিসিসিআই

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৬ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দক্ষ জনবল তৈরিতে ভারতকে পাশে চায় এফবিসিসিআই

দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে বিপুল সম্ভাবনা আছে। সরকারও সব ধরনের নীতি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু দক্ষ জনবলের অভাবে এ সম্ভাবনা যথাযথভাবে কাজে লাগানো যাচ্ছে না। তাই জ্ঞানভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরির জন্য দক্ষ ও কারিগরি প্রশিক্ষক দিয়ে ভারতকে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই)।

গতকাল রবিবার রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে ভারতের হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি এক সৌজন্য সাক্ষাতে এলে সংগঠনের সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম এই আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ভারতের এসব প্রশিক্ষক ‘এফবিসিসিআই ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’ এবং ‘টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটে’ কাজ করবে। এ ছাড়া আলোচনায় দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং শিক্ষা ও কারিগরি সহায়তার বিভিন্ন দিক নিয়েও কথা হয়।

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, সময়ের চাহিদা অনুযায়ী দেশের দক্ষ জনশক্তির প্রয়োজন মেটাতে ‘এফবিসিসিআই ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’ এবং ‘টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠান দুটি পরিচালনায় ভারত থেকে বিশেষজ্ঞ জ্ঞান বিনিময়ের প্রচুর সুযোগ রয়েছে।

এই প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে ভারতের হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি জানান, ভারতে বিপুলসংখ্যক দক্ষ ও প্রশিক্ষিত কারিগরি প্রশিক্ষক রয়েছেন, যাঁরা এফবিসিসিআইয়ের শিক্ষা-প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে আসতে পারেন।

এ ছাড়া তিনি দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভালো উল্লেখ করে বলেন, ‘বাংলাদেশের সাম্প্রতিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ও রাজনৈতিক সম্পর্ক অনেক দৃঢ হয়েছে। এই সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আরো কিভাবে জোরদার করা যায় এ নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে।’

বাণিজ্য বৃদ্ধিতে দুই দেশের স্থলবন্দরের ওপর গুরুত্ব বাড়ানোর কথা উল্লেখ করে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের স্থলবন্দরগুলো দিয়ে যাতে দুই দেশের রপ্তানিযোগ্য সব পণ্য আসা-যাওয়া করতে পারে সে বিষয়টিতে বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। অন্য এক প্রসঙ্গে হাইকমিশনার জানান, ভারতে নব্য উদ্যোক্তাদের জন্য সম্প্রতি ‘পরিবারভিত্তিক ব্যবসা উদ্যোগ’ বেশ সাফল্য পেয়েছে, যা বাংলাদেশ গ্রহণ করতে পারে। উদ্যোগটি বাংলাদেশে জনপ্রিয় করতে হাইকমিশন সহায়তা করতে আগ্রহী বলে তিনি জানান।

এফবিসিসিআই সহসভাপতি হাসিনা নেওয়াজ ও মো. রেজাউল করিম রেজনু এবং এফবিসিসিআই পরিচালক প্রবীর কুমার সাহা এই আলোচনায় অংশ নেন। এফবিসিসিআই সহসভাপতি মীর নিজাম উদ্দিন, পরিচালক সুজিব রঞ্জন দাস এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা