kalerkantho

দাম হাঁকা হচ্ছে ১৫ লাখ টাকা

‘রাজাবাবু’র ওজন ৪৫ মণ

১৫ লাখ

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি   

৯ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘রাজাবাবু’র ওজন ৪৫ মণ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ৪৫ মণ ওজনের একটি ষাঁড়ের দাম বলা হচ্ছে ১৫ লাখ টাকা। রাজাবাবু নামে এ ষাঁড়টির বয়স তিন বছর। পোরজনা ইউনিয়নের জামিরতা গ্রামের মানিক ব্যাপারীর খামারে বেড়ে উঠেছে গরুটি।

মানিক কোরবানির ঈদ উপলক্ষে এবার ২২টি গরুকে হৃষ্টপুষ্ট করেছেন। তিনি রাজাবাবুকে ঢাকায় বিক্রির জন্য নিয়ে গিয়েছে। মানিক জানান, সুষম খাদ্য যেমন কাঁচা ঘাস, তিল ও সরিষার খৈল, ছোলা, গম ও ভুট্টার ভুসি, ভাতের মার ও খড় খাওয়ানো হয়। প্রতিদিন শ্যাম্পু দিয়ে গরুটিকে গোসল করানো হয়। পরিচ্ছন্ন পরিবেশে একে রাখা হয়েছে। রাতে মশারির মধ্যে রাখা হয়। বিশালাকার গরুর খবর ছড়িয়ে পড়লে একে দেখার জন্য নানা জায়গা থেকে মানিক ব্যাপারীর বাড়িতে ভিড় করছে অসংখ্য মানুষ। ভিড় সামাল দিতে বসাতে হয়েছে পাহারা। পাহারাদার রতন সরকার জানান, প্রতিদিন ভিড় সামলাতে তাঁদের বেশ হিমশিম খেতে হচ্ছে। রাজাবাবুর বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়। কারণ এর ওজন ও আকার অন্য গরুর চেয়ে বহুগুণ বেশি। 

মানিক আরো বলেন, ‘আমি ৩০ বছর ধরে গরু লালন-পালন করছি। প্রতিবছর কোনবানির হাটে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে ৪০-৪৫টি করে ষাঁড় বিক্রি করি। এগুলোর দাম দুই থেকে সাড়ে চার লাখের মধ্যে থাকে। এবারই প্রথম ৪৫ মণ ওজনের গরুটিকে ফতুল্লার হাটে তুলতে যাচ্ছি।’ তিনি বলেন, ‘এরই মধ্যে বাড়ি এসে একাধিক ক্রেতা ১০ লাখ টাকা দাম বলেছেন। কিন্তু আমি ১৫ লাখ টাকা বলে দিয়েছি। যদি এ দামে কেউ আগ্রহী হয়, তাহলে বাড়িতেই বিক্রি করব।’

মানিক ব্যাপারীর স্ত্রী বিলকিস পারভীন বলেন, ‘গরুটি যেন আমাদের পরিবারের একজন সদস্য। সে আমার সন্তানের মতোই আদরে বেড়ে উঠেছে। বিক্রি করতে মন চায় না। কিন্তু এত বড় গরু রাখাও কঠিন হয়ে পড়েছে। এর যত্ন ও পরিচর্চায় দুজন লোক লাগে।’

মন্তব্য