kalerkantho

দেশীয় পদ্ধতিতে ৩০ হাজার গবাদি পশু পালন যশোরে

ফখরে আলম, যশোর   

৯ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দেশীয় পদ্ধতিতে ৩০ হাজার গবাদি পশু পালন যশোরে

যশোরের ঘরে ঘরে কোরবানির পশু লালন-পালন করা হয়েছে। ৪০ হাজার ছাগল ভেড়ার পাশাপাশি ৩০ হাজার গরু কোরবানির জন্য হৃষ্টপুষ্ট করা হয়েছে। জেলায় ৭০ হাজার গরু-ছাগল লালন-পালন করা হলেও কোরবানির জন্য চাহিদা রয়েছে ৬০ হাজারের। বাকি গরু-ছাগল ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হবে। খামারিরা বলছেন, ‘ঈদের আগে ভারতীয় গরু না এলে তাঁরা ভালো দাম পাবেন। এ জন্য ভারতীয় গরু যাতে প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।’

যশোর জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, কোরবানি উপলক্ষে যশোর জেলায় ১০ হাজার ৮২৭টি খামারে ৭০ হাজার ৬২৪টি গরু ও ছাগল হৃষ্টপুষ্ট করা হয়েছে। এর মধ্যে ষাঁড় রয়েছে ২৭ হাজার ৬৮৮টি, বলদ দুই হাজার ৫৮৭টি, গাভি এক হাজার ৩৪৭টি, ছাগল ৩৮ হাজার ৬৩৫, ভেড়া ৩৬৫টি।

এবার যশোর জেলায় কোরবানির চাহিদা রয়েছে ৬০ হাজার গরু, ছাগল ও ভেড়া। সেই হিসাবে জেলায় প্রায় ১০ হাজার পশু বেশি লালন-পালন করা হয়েছে। জেলার চাহিদা পূরণের পাশাপাশি উদ্বৃত্ত এই পশু অন্যান্য জেলায় পাঠানো হবে। ভালো দামের আশায় বুক বেঁধেছেন খামারিরা।

খামারিরা বলছেন, ‘ক্ষতিকর হরমোন কিংবা ইনজেকশনের ব্যবহার ছাড়াই দেশীয় পদ্ধতিতে গবাদি পশু লালন-পালন করা হয়েছে।’

মণিরামপুর উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের শরিফুল ইসলাম দুই বছর ধরে একটি পাকিস্তানি শাওয়াল জাতের গরু লালন-পালন করছেন। গরুটির ১৫ মণ মাংস হতে পারে। দাম হাঁকছেন আট লাখ টাকা। শরিফুল বললেন, ‘গরুটি আমার খুব আদরের ও নাম রেখেছি সুলতান। দেশীয় ফলমূল আর ঘাস খাইয়িয়ে বড় করেছি।’

যশোর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ভবতোষ কান্তি সরকার বলেন, ‘জেলায় এবার কোরবানির উদ্বৃত্ত পশু রয়েছে। জেলার চাহিদা পূরণ করে দেশের জন্য জেলায় জোগান দেওয়া সম্ভব হবে। পশুর শরীরে যাতে ক্ষতিকর ইনজেকশন পুশ না করতে পারে সেদিকে আমরা নজর রাখছি। ভারতীয় গরু যাতে না আসে সে ব্যাপারেও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’

মন্তব্য