kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

সিআইপি কার্ড পেলেন ১৮২ ব্যবসায়ী

সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি কার্ডধারীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সিআইপি কার্ড পেলেন ১৮২ ব্যবসায়ী

এফবিসিসিআইর সহসভাপতি দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির কাছ থেকে সিআইপি কার্ড গ্রহণ করেন। ছবি : কালের কণ্ঠ

দেশের শিল্প ও রপ্তানিতে বিশেষ অবদান রাখায় ১৮২ ব্যবসায়ী পেয়েছেন সিআইপি (বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি) কার্ড। গতকাল বুধবার রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ২০১৭ সালের জন্য সিআইপি কার্ড বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে অভিযোগ ওঠে সেবা প্রদানকারী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তালিকা হালনাগাদ না করায় রপ্তানিকারকরা অনেক ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুত সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই প্রাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানান সিআইপি কার্ডধারীরা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি তোফায়েল আহমেদ। সম্মানিত অতিথি ছিলেন বাণিজ্যসচিব ড. জাফর উদ্দিন ও এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, প্রতিবছরই রপ্তানি আয় বাড়ছে, ব্যবসায়ীদের টার্নওভার বাড়ছে। সব দিক বিবেচনায় রেখে সিআইপি কার্ডের সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন। এ বিষয়টি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি।

এর জবাবে সমাপনী বক্তব্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, সিআইপি নীতিমালা সংশোধনের কাজ চলছে। বর্তমানে ২২টি খাতে সিআইপি কার্ড দেওয়া হয়। সংশোধিত নীতিমালায় রপ্তানি খাত ও কার্ডের সংখ্যা দুটিই বাড়ানো হবে।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমাদের মোট রপ্তানির ৮৪ শতাংশ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। শুধু পোশাক খাতের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে পণ্যের বহুমুখীকরণের দিকে নজর দিতে হবে।

সিআইপি কার্ডপ্রাপ্ত সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী বলেন, ‘সিআইপি কার্ডধারী ব্যক্তিদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে সেবা প্রদানকারী সরকারি, আধা সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিভাগগুলো প্রায়ই হালনাগাদ তালিকা সংরক্ষণ করে না। তাই সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সময় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। এসব প্রতিষ্ঠান ও বিভাগগুলোকে হালনাগাদ তালিকা সংরক্ষণ করার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগ গ্রহণের অনুরোধ করছি।’ বিটিএমএ সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন বলেন, অবশ্যই সিআইপি কার্ডের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে কার্ড শুধু কার্ডই থাকবে, কোনো কাজে আসবে না। সিআইপি কার্ডধারীরা ছয় ধরনের সুবিধা পান, কার্ডের মেয়াদ এক বছর।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা