kalerkantho

ব্যাংকের মাধ্যমে পলিসি বিক্রির দাবি

ইমেজ সংকটে এজেন্ট পাচ্ছে না বীমা কম্পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গ্রাহকদের বীমা দাবির টাকা ঠিকমতো পরিশোধ না করায় দেশের বীমা কম্পানিগুলো প্রয়োজনীয় এজেন্ট পাচ্ছে না। এতে ব্যবসা বাড়াতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে অনেক বীমা কম্পানিকে। ‘জীবন বীমা খাতের সম্ভাবনা’ নিয়ে আয়োজিত এক ওয়ার্কশপে ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পক্ষ থেকে এসব কথা বলা হয়েছে। গুলশানে অবস্থিত ডেল্টা লাইফ টাওয়ারে গতকাল মঙ্গলবার এই সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চিফ মার্কেটিং অফিসার (সিএমও) বিনীত আগরওয়াল, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ও কোম্পানি সচিব উত্তম কুমার সাধু, নির্বাহী পরিচালক আশরাফ উদ্দিন এবং জয়েন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট এ কে এম সামিনুল ইসলাম।

বিনীত আগরওয়াল বলেন, জীবন বীমার গ্রাহকরা সঠিকভাবে দাবির টাকা না পাওয়ায় এক ধরণের ইমেজ সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে প্রয়োজনীয় এজেন্ট পাওয়া যাচ্ছে না। আর নতুন এজেন্ট না আসায় নতুন ব্যবসাও আসছে না। ইমেজ সংকট কাটানো গেলে অবশ্যই বীমা খাতের আওতা বাড়বে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বীমা কোম্পানিগুলো বছরে যে প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে তার ৭৩ দশমিক ৫ শতাংশই জীবন বীমা কোম্পানির। বাকি ২৬ দশমিক ৫ শতাংশ সাধারণ বীমা কোম্পানির। সুতরাং বীমা ব্যবসার সিংহভাগই জীবন বীমা কোম্পানির দখলে।

বিনীত আগরওয়াল এক উপস্থাপনায় বলেন, বীমার আওতা ১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো গেলে ২ শতাংশ পর্যন্ত জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়ানো সম্ভব। মানুষের ১৩ শতাংশ অনিশ্চিত লোকসান কমানো সম্ভব। করের ক্ষেত্রে ২২ শতাংশ পর্যন্ত ঘাটতি পূরণ সম্ভব হবে।

উপস্থাপনায় বলা হয়, পার্শবর্তী দেশগুলোর মধ্যে জিডিপিতে বীমা খাতের অবদান সবচেয়ে কম বাংলাদেশে; এটি ০.৫৫ শতাংশ। অথচ বাংলাদেশের অর্থনীনৈতিক প্রবৃদ্ধি অনেক দেশের চেয়েই বেশি এবং এটি স্থিতিশীল। ২০০৯ সালে দেশের জিডিপিতে বীমা খাতের অবদান ১ শতাংশ থাকলেও বর্তমানে তা কমে দশমিক ৫৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

এ সময় জীবন বীমা খাতে ১ কোটি ৭ লাখের মতো পলিসি সচল আছে বলেও জানানো হয়। দ্রুত ব্যাংক অ্যাসুরেন্স চালু করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষের কাছে যেতে হলে ব্যাংক সহজ উপায়। ফিলিপাইনে বীমা কোম্পানিগুলো যে ব্যবসা করে তার ৭৪ শতাংশই আসে ব্যাংকের মাধ্যমে। আমরা ব্যাংকের মাধ্যমে পলিসি বিক্রি করতে পারলে মানুসের আস্থা যেমন বাড়বে বীমা খাতের প্রসারও দ্রুত বাড়বে।

মন্তব্য