kalerkantho

পুঁজিবাজারে আসছে বি-আর পাওয়ারজেন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পুঁজিবাজারে আসছে বি-আর পাওয়ারজেন

সভায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালসহ অন্যরা। ছবি : কালের কণ্ঠ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হবে এমন শর্তের ভিত্তিতে বি-আর পাওয়ারজেনকে একটি বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে শেরেবাংলানগরে অনমনীয় ঋণবিষয়ক কমিটির ২৭তম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কম্পানির ঋণ গ্রহণ প্রস্তাবে এ অনুমোদন দেন মন্ত্রী। তবে তাতে তিনি দুই শর্ত আরোপ করেন। যার প্রথমটি হলো, অর্থ বিভাগ অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে কম্পানির আর্থিক তারল্য সার্টিফিকেট নিতে হবে। দ্বিতীয়ত, পূর্ণমাত্রায় পুঁজিবাজারে কম্পানির শেয়ার ছাড়তে হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনুষ্ঠিত সভাটির আলোচ্য বিষয় ছিল শ্রীপুর ১৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এইচএফওভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ঋণ গ্রহণ প্রস্তাব অনুমোদন। গাজীপুর ও পার্শ্ববর্তী ময়মনসিংহ জেলার ক্রমবর্ধমান শিল্পাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে এ প্রকল্পটি গ্রহণ ও সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রীর শর্ত মোতাবেক পুঁজিবাজারে শেয়ার ছাড়ার ফলে বহুল প্রতীক্ষিত সরকারি কম্পানির শেয়ার পুঁজিবাজারে আসতে শুরু করবে বলে মন্ত্রী আশা করছেন। তিনি বলেছেন, এভাবেই ধীরে ধীরে সরকারি কম্পানির শেয়ার পুঁজিবাজারে চাহিদা মোতাবেক আসতে থাকবে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কম্পানি সম্পর্কে বলা হয়েছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়নকারী সংস্থার নাম বি-আর পাওয়ারজেন লিমিটেড। এটি একটি সরকারি লাভজনক কম্পানি। এর ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা একটি সরকারি লাভজনক কম্পানির বিনিয়োগের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারবে। জার্মানভিত্তিক ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠান কেএফডাব্লিউ আইপেক্স ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ নেওয়া হবে। প্রকল্পটি আগামী ২০২১ সালের মার্চে সম্পন্ন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিন বছরের প্রাপ্যতা সময়কাল বিবেচনায় ঋণের কিস্তি পরিশোধ শুরু হবে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে। বি-আর পাওয়ারজেন লিমিটেড চট্টগ্রামের মিরসরাই বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে সরকারি তহবিলে প্রায় ১৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন আরেকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে। প্রকল্পটিতে আগামী জানুয়ারি ২০২০ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হবে। তাই এই সময় থেকে কম্পানিটির আর্থিক তারল্য বাড়বে। যার পরিপ্রেক্ষিতে শ্রীপুর প্রকল্পের ঋণের কিস্তি পরিশোধ সহজতর হবে।

মন্তব্য