kalerkantho

বিশ্ববাজারে স্মার্টফোন সরবরাহ বেড়েছে ২৪%

বৈরী পরিবেশে ঘুরে দাঁড়াল হুয়াওয়ে

বাণিজ্য ডেস্ক   

৫ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বৈরী পরিবেশে ঘুরে দাঁড়াল হুয়াওয়ে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রবল বিরোধিতায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে কিছুটা কোণঠাসা হুয়াওয়ের পাশে দাঁড়িয়েছে চীনের গ্রাহকরা। বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে অভ্যন্তরীণ স্মার্টফোন বাজারে অবস্থান আরো শক্তিশালী করেছে কম্পানিটি। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ক্যানালিসের তথ্য অনুযায়ী জুনে শেষ হওয়া প্রান্তিকে চীনের বাজারে হুয়াওয়ের স্মার্টফোন সরবরাহ বেড়ে হয়েছে ৩৭.৩ মিলিয়ন ইউনিট, যা এক বছর আগের একই সময়ের তুলনায় ৩১ শতাংশ বেশি।

এর ফলে চীনের বাজারে তাদের শেয়ার ১০ শতাংশীয় পয়েন্ট বেড়ে হয়েছে ৩৮ শতাংশ। এর বিপরীতে অন্যান্য বড় স্মার্টফোন কম্পানিগুলোর শেয়ার কমেছে এ বাজারে। এমনকি এ সময়ে চীনের বাজারে সার্বিক স্মার্টফোন সরবরাহ ৬ শতাংশ কমে হয়েছে ৯৭.৬ মিলিয়ন ইউনিট।

গতকাল মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে হুয়াওয়ে জানায়, বছরের প্রথম ভাগে তাদের রাজস্ব বেড়েছে ২৩.২ শতাংশ। এক বছর আগের এ সময়ে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ছিল ১৫ শতাংশ। কম্পানি জানায়, বছরের প্রথম ভাগে রাজস্ব বেড়ে হয়েছে ৪০১.৩ বিলিয়ন ইউয়ান (৫৮.২৮ বিলিয়ন ডলার)। যেখানে এক বছর আগে এ সময়ে রাজস্ব ছিল ৩২৫.৭ বিলিয়ন ইউয়ান। এ ছাড়া বিশ্ববাজারে স্মার্টফোন সরবরাহ ২৪ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১১৮ মিলিয়ন ইউনিট।

গত মে মাসে হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্ত করে যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের কম্পানিগুলোর সঙ্গে হুয়াওয়ের সরঞ্জাম কেনাবেচা কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। এমনকি গুগল, ফেসবুকসহ বেশ কিছু কম্পানি সম্পর্ক ছেদেরও ঘোষণা দেয়। এতে কম্পানির বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়। এমন বৈরী পরিবেশেও আন্তর্জাতিক বাজারে ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিল কম্পানিটি। এমনকি চীনের বাজারে সবাইকে পেছনে ফেলে আরো শক্তিশালী হয়েছে কম্পানিটি।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার আগ্রহ দেখিয়ে হুয়াওয়ে টেকনোলজিসের প্রতিষ্ঠাতা রেন ঝেং ফেই বলেছেন, আমরা যেকোনো দেশের সঙ্গে ‘নো ব্যাকডোর’ চুক্তি করতে আগ্রহী। তিনি বলেন, ‘আমাদের নিয়ে যেহেতু উদ্বেগ আছে সেহেতু আমরা এ চুক্তি করতে চাই। যাতে তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা পাবে। চীনের একটি আইনের কারণে দেশটির যেকোনো কম্পানি সরকারকে গোয়েন্দাবৃত্তিতে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে বাধ্য। এ কারণে হুয়াওয়ের বিশ্বস্ততা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে যুক্তরাষ্ট্র। কম্পানিটিকে কালো তালিকাভুক্ত করার কারণও এটি দেখানো হয়েছে। তাই যুক্তরাষ্ট্রকে আশ্বস্ত করতে চুক্তি করতে চায় কম্পানিটি। রয়টার্স, এএফপি।

মন্তব্য