kalerkantho

বেসরকারি ঋণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে সংশয় আছে

এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম

১ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বেসরকারি ঋণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে সংশয় আছে

বেসরকারি খাতে ১৪.৮ শতাংশ ঋণ প্রবৃদ্ধির যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে সেটা সরকার প্রক্ষেপিত ৫.৫ শতাংশ মূল্যস্ফীতি ও ৮.২ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে মূল সমস্যা হচ্ছে বেসরকারি ঋণের এই লক্ষ্যমাত্রাও অর্জন হবে কি না। তবে আমার মনে হয় এটা অর্জিত হওয়ার সম্ভাবনা কম। কারণ ব্যাংকগুলো তারল্য সংকট, ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণ ও তথাকথিত ছয়-নয় সুদের হার বাস্তবায়নগত সমস্যায় আছে। এসব কারণে সরবরাহ সাইড থেকে এ সমস্যাগুলো আছে। অন্যদিকে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ার কোনো লক্ষণ নেই, বরং নেতিবাচক। মূলধন, যন্ত্রপাতি ও শিল্পের কাঁচামাল আমদানি ঋণপত্র গত দুই অর্থবছর ধরে কমছে। কাজেই বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা যদি বিনিয়োগ না করে, উৎপাদন যদি বেশি না হয়, তাহলে ব্যাংকঋণ নিলেও তারা সেটি পরিশোধ করতে পারবে না। ফলে এখানে ঋণের চাহিদার দিক থেকেও সমস্যা আছে। চাহিদা এবং সরবরাহ—এ দুই দিকের সমস্যার কারণে বেসরকারি খাতে ১৪.৮ শতাংশ ঋণ যাবে বলে মনে হয় না।

গভর্নর বলেছেন, ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট নেই। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ৮৫-৮৬ হাজার কোটি টাকা উদ্বৃত্ত তারল্য তো এখন আছে। এটা ছয় মাস বা এক বছর আগে কত ছিল? একসময় উদ্বৃত্ত তারল্য ছিল এক লাখ ৫০ হাজার থেকে এক লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা। সেটি এখন ৮৫ হাজার কোটি টাকায় নেমেছে। এর মানে তারল্য কমে গেছে নিঃসন্দেহে।

মন্তব্য