kalerkantho

দুধের মান প্রশ্নে বিপাকে খামারিরা

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি   

১৮ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ব্র্যাকের আওতাধীন তিনটি দুগ্ধ শীতলীকরণ কেন্দ্র চাহিদা মোতাবেক কারেক্টেড ল্যাকটোমিটার রিডিং (সিএলআর) না পেয়ে দুধ সংগ্রহ বন্ধ করে দিয়েছে। গত ১ জুলাই থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত খামারিদের কাছ থেকে সরাসরি দুধ ক্রয় বন্ধ রাখার পর নতুন করে চলতি সপ্তাহে আবার এই সিদ্ধান্ত দেয় ব্র্যাক। এ নিয়ে ব্র্যাকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুগ্ধ সমিতির ব্যবস্থাপকদের কয়েক দফা আলোচনা হলেও সমস্যার সমাধান মেলেনি। তবে এবার শুধু খামারি ও দুগ্ধ ব্যবস্থাপনার সমিতির ব্যবস্থাপকদের সরবরাহ করা নিম্নমানের দুধ সংগ্রহ বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্র্যাক কর্তৃপক্ষ। কিন্তু খামারি ও দুগ্ধ সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপকদের অভিযোগ, ব্র্যাক তাদের বিরুদ্ধে দুধে পানি মেশানোর অভিযোগ তুলে দুধ সংগ্রহ বন্ধ করেছে। তারা শতভাগ খাঁটি দুধ কম্পানির শীতলীকরণ কেন্দ্রে সরবরাহ করেন। প্রধান কার্যালয়ে দুধে ভেজাল ধরা পড়লে সেটার জন্য কম্পানির স্থানীয় পর্যায়ের লোকজনই দায়ী বলে দাবি তাদের।

উপজেলার ভেড়ামারা গ্রামের মজিবর রহমান ব্র্যাকের জগাতলা দুগ্ধ শীতলীকরণ কেন্দ্রের দুগ্ধ সমবায় সমিতির একজন ব্যবস্থাপক। নিজের খামার এবং অন্যান্য ১২০ জন খামারির দুধ সংগ্রহ করে তিনি প্রতিদিন ১১০০ লিটার দুধ এই কেন্দ্রে সরবরাহ করেন। ব্র্যাক গত তিন দিন হলো দুধের সিএলআরের পরিমাণ সর্বনিম্ন ২৯ পয়েন্ট বেঁধে দেয়। কিন্তু তার আওতাধীন অনেক খামারির দুধে সিএলআর ২৭ থেকে ২৮ পয়েন্টের ওপরে ওঠে না। এতে প্রতিদিন এক-তৃতীয়াংশ খামারির দুধ শীতলীকরণ কেন্দ্র থেকে ফেরত যাচ্ছে।

দুধ ক্রয় কমিয়ে দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে ব্র্যাকের ভাঙ্গুড়া অঞ্চলের এরিয়া ম্যানেজার মাহবুবুর রহমান বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে দুধের গুণগত মান ঠিক রাখতে এটা করা হয়েছে।

মন্তব্য