kalerkantho

বুধবার । ১৬ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৬ সফর ১৪৪১       

পুঁজিবাজারে টানা দরপতন

স্টেকহোল্ডারদের দায়ী করছে বিনিয়োগকারীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৩ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



২০১০ সালের ধসের পর ক্রমাগত উন্নয়নমুখী পুঁজিবাজারে চলতি বছর বড় ধরনের পতন ঘটে। ২০১৯ সালে সিরিজ পতনে লোকসানে পড়ে বিনিয়োগকারী। পুঁজিবাজারের এমন আচরণে বাংলাদেশ ব্যাংকের অযাচিত হস্তক্ষেপ ও স্টেকহোল্ডারদের অসহযোগিতাকে দুষছে বিনিয়োগকারীরা। গতকাল বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) দেওয়া এক চিঠিতে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ এসব কথা জানায়। বাজারের উন্নয়নে ১৪ দফা দাবিও জানিয়েছে তারা।

কমিশনের চেয়্যারম্যানকে দেওয়া চিঠিতে বিনিয়োগকারীরা বলেছে,  পুঁজিবাজারে ভয়াবহ অবস্থার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের অযাচিত হস্তক্ষেপ ও সিদ্ধান্তহীনতাই দায়ী।

১৪ দফা দাবিগুলো হচ্ছে—ইস্যু মূল্যের নিচে থাকা কম্পানির শেয়ার কম্পানি ও পরিচালনা পর্ষদকে বাইব্যাক, প্লেসমেন্ট শেয়ারের অবৈধ বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে এবং প্লেসমেন্ট শেয়ারের লকইন পিরিয়ড পাঁচ বছর করা, অর্থের জোগান বৃদ্ধিতে বজেটে পুঁজিবাজারের জন্য সহজ শর্তে ৩ শতাংশ সুদে ১০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ, যা আইসিবি, বিভিন্ন মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে ৫ শতাংশ হারে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ঋণ সুবিধা, অর্থপাচার রোধে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনা শর্তে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ, পাবলিক ইস্যু রুলস ২০১৫ বাতিল, তিন বছর আইপিও বন্ধ ও প্রিমিয়াম না দেওয়া, জেড ক্যাটাগরি, ওটিসি মার্কেট সিস্টেম বাতিল ও তালিকাভুক্ত কম্পানিকে কমপক্ষে ১০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ প্রদান এবং রাইট শেয়ার ও বোনাস শেয়ার বন্ধ রাখতে হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা