kalerkantho

শনিবার । ২৫ জানুয়ারি ২০২০। ১১ মাঘ ১৪২৬। ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

ওঠানোর চেষ্টায়ও পুঁজিবাজারে পতন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে বা এগিয়ে নিতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সংশ্লিষ্টরা উদ্যোগী হলেও কার্যত কোনো ফল আসছে না। আস্থাহীনতা থেকে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রি করলেও প্রাতিষ্ঠানিকের সক্রিয়তাও বাড়ছে না। এতে সূচক ও লেনদেন কমে তলানিতে নেমেছে।

সম্প্রতি পুঁজিবাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হলে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয় তৎপর হয়। তারল্য সংকট কাটাতে এক্সপোজার হিসাব গণনায় ছাড়, আইসিবির মাধ্যমে প্রায় সাড়ে ৮০০ কোটি টাকার বিশেষ সহায়তা তহবিল ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইনি সংস্কারও করছে। তবুও পুঁজিবাজারে আস্থা ফিরছেই না, প্রতিদিনই বাড়ছে শেয়ার বিক্রির চাপ।

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস গতকাল বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) শেয়ার বিক্রির চাপে সূচক হ্রাস পেয়েছে। মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২৫৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা। আর সূচক কমেছে ২১ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ২৫১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা আর সূচক কমেছিল ২৯ পয়েন্ট।

দিন শেষে সূচক দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ১৯৬ পয়েন্ট। ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ১২ পয়েন্ট কমে এক হাজার ৮১২ পয়েন্ট ও ডিএসইএস শরিয়াহ সূচক ৯ পয়েন্ট কমে এক হাজার ১৯৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া ৩৪১ কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১০৩টির, কমেছে ১৭৩টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৬৫ কম্পানির শেয়ারের দাম।

অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক ও লেনদেন উভয়ই হ্রাস পেয়েছে। গতকাল সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১১ কোটি ৭১ লাখ টাকা। আর সূচক কমেছে ৩২ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ১৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। আর সূচক কমেছিল ৫৪ পয়েন্ট।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা