kalerkantho

রবিবার । ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৭ রবিউস সানি                    

দেশেই তৈরি হবে ইয়ামাহার বাইক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দেশেই তৈরি হবে ইয়ামাহার বাইক

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং এসিআই মোটরসের চেয়ারম্যান এম আনিস উদ দৌলাসহ অন্য অতিথিরা। ছবি : কালের কণ্ঠ

জাপানের ইয়ামাহা কম্পানির কলাকৌশল ও কারিগরি সহায়তায় দেশে মোটরসাইকেল উৎপাদনে সিকেডি সংযোজন কারখানা উদ্বোধন করেছে এসিআই মোটরস। গাজীপুরের শ্রীপুর বড়চালায় ছয় একর জায়গায় এ কারখানা স্থাপন করা হয়েছে, যাতে প্রতিবছর ৭০ হাজার মোটরসাইকেল উৎপাদিত হবে। গতকাল শনিবার রাজধানীর র‌্যাডিশন হোটেলে এক অনুষ্ঠানে এর উদ্বোধন করা হয়।

এসিআই মোটরসের চেয়ারম্যান এম আনিস উদ দৌলার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল ইসলাম, জাপানের ইয়ামাহা মোটর করপোরেশনের এক্সিকিউটিভ জিএম ইয়াসুতাকা সুজুকি, এসিআই লিমিটেডের গ্রুপ এমডি ড. আরিফ দৌলা, এসিআই মোটরসের এমডি ড. এফ এইচ আনসারী, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সুব্রত রঞ্জন দাস, ইয়ামাহা ও এসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকরা জানান, জাপানের ইয়ামাহার সরাসরি সহযোগিতায় অ্যাসেম্বলিংয়ের মাধ্যমে প্রতিবছর ৭০ হাজার মোটরসাইকেল উৎপাদন করা হবে। উৎপাদনের প্রয়োজনীয় কলাকৌশল ও যন্ত্রপাতি দেবে ইয়ামাহা, যাতে প্রতিটি ধাপে গুণগত মান নিয়ন্ত্রিত হবে। এতে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতোই গুণগত মানসম্মন্ন হবে। প্রাথমিকভাবে এফজেডএস ও স্যালুটো মোটরসাইকেল তৈরি করা হবে। এতে দামও কমে আসবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। এখন অ্যাসেম্বলিং করা হলেও আগামী দুই বছরের মধ্যে মোটরসাইকেলের পার্টসও তৈরি করবে উদ্যোক্তারা। এতে সব মিলিয়ে তিন হাজারের বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশে দীর্ঘ সময়ে ভালো বন্ধুত্ব রয়েছে উল্লেখ করে সালমান এফ রহমান বলেন, ‘দেশকে উন্নত করতে জাপান কেবল বেসরকারি খাতেই নয়, সরকারি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নেও সহায়তা করছে। দেশে ইয়ামাহা ব্র্যান্ডের কারখানা স্থাপন একটা মাইলফলক। দেশকে এগিয়ে নিতে বেসরকারি খাতের অগ্রগতি ছাড়া কোনো উপায় নেই। প্রধানমন্ত্রীও সে বিষয়টি অনুধাবন করেছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। কারণ বেসরকারি খাতের উন্নয়ন ছাড়া দেশকে উন্নত করা সম্ভব নয়।’

তিনি বলেন, ‘দেশের বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার কাজ করছে। আর বিনিয়োগ সহজীকরণ করতেও নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ব্যবসা সহজীকরণ করতে অটোমাইজেশন ও ওয়ান স্টপ সার্ভিসও চালু করা হয়েছে। পুরোদমে সব প্রক্রিয়া চালু হলে ব্যবসা সহজীকরণ সূচকেও বাংলাদেশের উন্নতি ঘটবে।’

আনিস উদ দৌলা বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি এগিয়ে চলছে, মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত করতে এসিআই সঙ্গে থেকে কাজ করতে চায়। সরকারের সব ধরনের সহযোগিতা পেলে দেশে বেসরকারি খাতে ব্যাপক উন্নতি সাধিত হবে। বিদেশি বিনিয়োগ ও বেসরকারি খাতের উন্নয়ন হলে দেশের অর্থনীতিও এগিয়ে যাবে।’

কাজী আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘বিগত দশকে বাংলাদেশে অর্থনীতি এগিয়ে চলছে, যাতে শীর্ষ ভূমিকা পালন করেছে তৈরি পোশাক খাত। কিন্তু একটা পণ্যের ওপর নির্ভর করলেই চলবে না, অন্যান্য পণ্যের দিকেও নজর দিতে হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা