kalerkantho

বুধবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৩ রবিউস সানি     

আইসিসিবিতে তথ্য-প্রযুক্তি খাতের বড় প্রদর্শনী শুরু

১০ বছরে তথ্য-প্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থান হয়েছে ১০ লাখ : পলক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আইসিসিবিতে তথ্য-প্রযুক্তি খাতের বড় প্রদর্শনী শুরু

আইসিসিবিতে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহেমদ পলক। ছবি : কালের কণ্ঠ

রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) শুরু হয়েছে তথ্য-প্রযুক্তি খাতের বড় প্রদর্শনী বেসিস সফটএক্সপো। গতকাল মঙ্গলবার আইসিসিবিতে তিন দিনের এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন তথ্য-প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহেমদ পলক। স্থানীয় তথ্য-প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা তুলে ধরতে এবারের আয়োজনে অংশ নিচ্ছে ২৫০টি প্রতিষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে জুনাইদ আহেমদ পলক বলেন, ‘দেশে গত ১০ বছরে শুধু তথ্য-প্রযুক্তি খাতেই ১০ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। এরই মধ্যে আমাদের লার্নিং-আর্নিং, শি পাওয়ার, এলআইসিটি, সারা দেশে ২৮টি হাইটেক পার্ক, হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের আওতায় প্রশিক্ষণ, আইডিয়া প্রকল্পের আওতায় স্টার্টআপ বাংলাদেশ ক্যাম্পেইনে অনেক তরুণ-তরুণী প্রশিক্ষণ পেয়েছে। এর ফলে আমরা অনলাইন মার্কেটপ্লেসে ফ্রিল্যান্সিং করে আত্মকর্মসংস্থান তৈরি করতে পারে সেই সুযোগ করে দিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘দেশে প্রায় ছয় লাখ ফ্রিল্যান্সার, দুই লাখ বেসিস সদস্য কর্মী, সঙ্গে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, পোস্ট ই-সেন্টার, সিটি করপোরেশন, মিউনিসিপ্যালিটিসহ অন্যান্য ডিজিটাল সেন্টার মিলিয়ে আমাদের এই তথ্য-প্রযুক্তি খাতে গত ১০ বছরে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পেরেছি।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর। এ ছাড়া বক্তব্যে দেন বেসিসের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ফারহানা এ রহমান এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থ প্রতিম দেব। প্রদর্শনী প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে। বেসিস সফটএক্সপোর আহ্বায়ক ফারহানা এ রহমান বলেন, ‘আমাদের তথ্য-প্রযুক্তি খাত সামনে এগিয়ে যাচ্ছে বলেই ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। আমাদের এ আয়োজনের মাধ্যমে আমরা সারা দেশ থেকেই প্রচুর সাড়া পেয়েছি। নারী উদ্যোক্তাদের জন্য আছে উইমেন জোন।’

প্রদর্শনীটি প্রায় ২৫০টি দেশি-বিদেশি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের জন্য পণ্য ও সেবা প্রদর্শনের সুযোগ করছে। প্রদর্শনী এলাকাকে ১০টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। এ ছাড়া নতুন সংযোজন ইন্ডাস্ট্রি ৪.০ জোন এবং এক্সপেরিয়েন্স জোন বাংলাদেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাতের সক্ষমতা তুলে ধরা হচ্ছে। রয়েছে উইমেন জোন, ভ্যাট জোন, ডিজিটাল এডুকেশন জোন, ফিনটেক জোন এবং বরাবরের মতো রয়েছে সফটওয়্যার সেবা প্রদর্শনী জোন, উদ্ভাবনী মোবাইল সেবা জোন, ডিজিটাল কমার্স জোন, আইটিইএস ও বিপিও জোন। এ ছাড়া ৩০টিরও বেশি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক সেমিনার হচ্ছে, যেখানে বক্তব্য দিচ্ছেন শতাধিক দেশি-বিদেশি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা