kalerkantho

শুক্রবার । ২৪ মে ২০১৯। ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৮ রমজান ১৪৪০

মোবাইল ফোন উৎপাদনে দীর্ঘ মেয়াদে নীতি সহায়তা দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মোবাইল ফোন উৎপাদনে দীর্ঘ মেয়াদে নীতি সহায়তা দাবি

আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে স্মার্টফোন আমদানি হচ্ছে। এতে আমদানি শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়

শিল্প উন্নয়নে যেকোনো যৌক্তিক প্রণোদনা আগামী অর্থবছরেও সরকার বহাল রাখবে। সরকার চায় তৈরি পোশাক খাতের মতো অন্য খাতও রপ্তানিতে অবদান রাখবে। গতকাল বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রাক-বাজেট আলোচনায় এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া এসব কথা জানান। ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস, কম্পিউটার, মোবাইল অ্যাসোসিয়েশন প্রতিনিধিরা এ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের দেশে অনেক বড় বড় কম্পানি রয়েছে। আমরা চাচ্ছি ওই সব বড় কম্পানি উৎপাদনে আসুক। তারা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক, রেফ্রিজারেটর, কম্পিউটার, মোবাইল পণ্য উৎপাদন করুক। দেশের চাহিদা মিটিয়ে বাইরে ওই সব পণ্য রপ্তানি হবে। আমরা আপনাদের সেই দিকে জোর দিতে বলছি। প্রয়োজনীয় সহায়তা আমরা দিতে রাজি আছি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের ওয়ালটনের উৎপাদিত পণ্য এখন দেশের চাহিদা মিটিয়ে ইউরোপে যাচ্ছে। এই ধরনের বড় কম্পানি দেশে অনেক রয়েছে। তাদেরও এগিয়ে আসতে হবে।’

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, আগামী বাজেটে আইটি ও আইটিইএসের জন্য এক বছর মেয়াদকালীন করপোরেট কর মওকুফ সনদ তিন বছর পর্যন্ত বর্ধিত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

আলোচনাকালে আমদানিকে নিরুৎসাহী করার জন্য আমদানি শুল্ক (সিডি), সম্পূরক শুল্ক (এসডি) এবং নিয়ন্ত্রণ শুল্ক (আরডি) বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ইলেকট্রিক্যাল মার্চেন্ডাইস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। সভায় বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রুহুল আলম আল মাহবুব বলেন, বর্তমানে দেশে মোবাইল ফোন উৎপাদন হচ্ছে। বর্তমানে ৩০ শতাংশ ম্যানুফ্যাকচারিং হচ্ছে। আমরা রপ্তানি করতে পারব। এ খাতে দক্ষ জনবল গড়ে ওঠা ও মেশিনারিজ স্থাপনে এসএমটি লাইন স্থাপনের সময়সীমা ২০২০ সাল পর্যন্ত বর্ধিত করার প্রস্তাব করেন তিনি।

তিনি বলেন, মোবাইলের মাদারবোর্ড উৎপাদনের সুযোগ দিলে বড় বড় কম্পানি এ দেশে কারখানা স্থাপন করবে। তৈরি হবে এ খাতের ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ প্রতিষ্ঠান। এ খাতের জন্য তিনি দীর্ঘমেয়াদি নীতি সহায়তা দাবি করেন। সংগঠনের একজন সহসভাপতি বলেন, আইটি খাতের জন্য গত অর্থবছরের বাজেটে একটি নির্দেশনা ছিল; ফলে সে খাত সুবিধা পাচ্ছে এগিয়ে যাচ্ছে। মোবাইল উৎপাদন খাতের জন্য আগামী অর্থবছর বাজেটে সে রকম একটি নির্দেশনার প্রস্তাব করেন তিনি। আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে স্মার্টফোন আমদানি হচ্ছে। এদিকে নজর দিয়ে আমদানি শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়।

মন্তব্য