kalerkantho

শুক্রবার । ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৮ রবিউস সানি ১৪৪১     

আইনি বাধায় পছন্দমতো চাকরি পায় না নারীরা

বাণিজ্য ডেস্ক   

৮ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



উন্নত ও উন্নয়নশীল সব দেশেই নারীরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। বিশ্বের ২৭০ কোটি নারী আইনগতভাবেই পুরুষের মতো একই ধরনের চাকরি করার ক্ষেত্রে বাধাপ্রাপ্ত। ২০১৮ সালে ১৮৯টি দেশের ওপর সমীক্ষায় দেখা যায়, ১০৪ দেশে এখনো সুনির্দিষ্ট কিছু চাকরি করার ক্ষেত্রে নারীদের আইনগত বাধা রয়েছে। ৫৯টি দেশে কর্মস্থলে যৌন নিপীড়নের বিরুদ্ধে কোনো আইন নেই এবং ১৮ দেশে স্বামীরা আইনগতভাবেই স্ত্রীকে চাকরি করার ক্ষেত্রে বাধা দিতে পারে।

২৫ থেকে ৫৪ বছর বয়সী নারীদের শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের হার ৬৩ শতাংশ, এর বিপরীতে এ বয়সী পুরুষদের অংশগ্রহণের হার ৯৩ শতাংশ। ২০১৮ সালে নারীদের বিশ্বব্যাপী শ্রমশক্তির অংশগ্রহণের হার ৪৮.৫ শতাংশ, যা পুরুষের চেয়ে ২৬.৫ শতাংশীয় পয়েন্ট কম।

২০১৭ সালে পুরুষ ও নারীর বৈশ্বিক বেকারত্বের হার যথাক্রমে ৫.৫ শতাংশ এবং ৬.২ শতাংশ, যা ২০১৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত অপরিবর্তিত থাকবে।

 নারীকে অপ্রচলিত ও দুর্বল কর্মের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে পরিচিত করা হচ্ছে। নারীরা পারিবারিক কাজে পুরুষদের তুলনায় দ্বিগুণ শ্রম দিয়ে থাকে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী দেখা যায়, উন্নয়নশীল দেশে অনানুষ্ঠানিক কাজে পুরুষদের তুলনায় নারীর অবদান ৪.৬ শতাংশ বেশি। যদিও বিশ্বব্যাপী নারীদের কম শ্রম মজুরি প্রদান করা হয়।

ধারণা করা হয় যে যদি নারীদের অবৈতনিক কাজের আর্থিক মূল্যে নির্ধারণ করা হয় তবে এটি জিডিপির ১০ শতাংশ থেকে ৩৯ শতাংশের মধ্যে হবে। নারীদের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের অবস্থান তৈরিতে বাধা দেওয়া হয়। যার ফলে আমরা দেখি পৃথিবীর সেরা ৫০০ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার মধ্যে নারী মাত্র ৫ শতাংশ। নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ এবং নির্যাতনের কারণে বার্ষিক আর্থিক ক্ষতি হতে পারে ১২ ট্রিলিয়ন ডলার। জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা