kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সূচক ও লেনদেনে উত্থান পুঁজিবাজারে

সতর্কতায় গুরুত্ব দেয়নি বিনিয়োগকারীরা

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সতর্কতায় গুরুত্ব দেয়নি বিনিয়োগকারীরা

পাঁচ বছরের বেশি সময় লভ্যাংশ না দেওয়ায় লিস্টিং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে যাওয়া ১৪ কম্পানির বিষয়ে বিনিয়োগকারীকে বিশেষ বার্তা দেয় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। যার মধ্যে চারটি কম্পানিকে মূল বাজার থেকে তালিকাচ্যুত করা হয়েছে। অন্য কম্পানিগুলোর বিষয়ে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেবে স্টক এক্সচেঞ্জ।

স্টক এক্সচেঞ্জের এই সতর্কতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দুর্বল কম্পানির শেয়ার কিনতেই সক্রিয় হয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। তালিকাচ্যুত করার সিদ্ধান্তের পর চার কম্পানির শেয়ার বিক্রির হিড়িক পড়লেও কোনো ক্রেতা ছিল না। কিন্তু গত দুই দিন থেকে এখন ক্রেতা থাকলেও বিক্রেতা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

গত মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, মেঘনা পেট, সাভার রি-ফ্যাক্টরিজ ও ইমাম বাটন লিমিটেড কম্পানিকে ডিএসইর পর্ষদ সভায় মূল বাজার থেকে তালিকাচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তালিকাচ্যুতির সিদ্ধান্তের পর ক্রেতা সংকটে পড়ে কম্পানিগুলো, যাতে শেয়ারের দাম কমে যায়। কিন্তু গত দুই দিন থেকে কম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম আবারও প্রায় ১০ শতাংশ করে বেড়েছে।

সূচক ও লেনদেনে উত্থান : বুধবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক ও লেনদেন বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও আগের দিন সূচক বাড়লেও লেনদেন কমেছিল। গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৬৮৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। আগের দিন ৬১১ কোটি ৭৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর সূচক বেড়েছিল ১১ পয়েন্ট।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, লেনদেন শুরুর পর থেকে শেয়ার কেনার চাপ বাড়লে সূচক ঊর্ধ্বমুখী হয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূচকও বাড়ে। এতে দিনের সূচক বৃদ্ধির মধ্য দিয়েই লেনদেন শেষ হয়। দিন শেষে সূচক দাঁড়ায় ৫ হাজার ৭৪৫ পয়েন্ট। ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ৭ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ২ পয়েন্ট ও ডিএসইএস শরিয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৩১২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া ৩৪৫ কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৩টির, দাম কমেছে ১৭০টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৫২ কম্পানির শেয়ারের দাম।

শ্যামল ইক্যুইটির সনদ বাতিল ও স্থগিতের সিদ্ধান্ত : ঝুঁকিপূর্ণ ও বিনিয়োগকারীর স্বার্থপরিপন্থী আচরণে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ট্রেকহোল্ডার শ্যামল ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্টের সনদ বাতিল বা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি। গত মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শ্যামল ইক্যুইটির ২০১৬-১৭ অর্থবছরের সমন্বিত গ্রাহক হিসেবে ২২ কোটি ৬৪ লাখ ৪৬ হাজার ৪১১ টাকা ঘাটতি দেখা যায়, যা সমন্বয় করার জন্য ২০১৮ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। কিন্তু ব্রোকারেজ হাউসটি থেকে বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে সমন্বয় না করে আরো সময় চেয়ে আবেদন করে। যার আলোকে কমিশন ওই বছরের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বাড়ায়। তার পরও ঘাটতির পুরোপুরি সমন্বয় হয়নি। ওই সময় শেষে গ্রাহক হিসেবে ৯ কোটি ৫৬ লাখ ৯৪ হাজার ৮৬৫ টাকা ঘাটতি রয়েছে। ব্রোকারেজ হাউসটির এমন আচরণকে বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও স্বার্থপরিপন্থী বলে মনে করছে কমিশন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা