kalerkantho

রবিবার। ১০ নভেম্বর ২০১৯। ২৫ কার্তিক ১৪২৬। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

দেশে মোট উৎপাদনের ১৬% সামুদ্রিক মাছ

ব্লু ইকোনমিতে গুরুত্ব দিয়েছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সরকারের নানা উদ্যোগে দেশে মৎস্য আহরণ বাড়ছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে মোট ৪৩ লাখ ৩৪ হাজার টন মাছ উৎপাদিত হয়েছে। এর মধ্যে সাড়ে ৬ লাখ টন এসেছে সমুদ্র থেকে, যা মোট মৎস্য উৎপাদনের ১৬ শতাংশ।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশের ব্লু ইকোনমির ওপর আয়োজিত দুই দিনের কর্মশালায় এসব তথ্য জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সমুদ্র বিজয়ের চার বছর অতিবাহিত হয়েছে। এখনো ১০০ মিটার গভীরতার বাইরে আমরা মৎস্য আহরণে সক্ষম হতে পারিনি। অথচ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ এ ক্ষেত্রে লাভজনক হয়েছে। সরকারের চলতি মেয়াদে ব্লু ইকোনমি বা সাগরকেন্দ্রিক উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন এফএওএর প্রতিনিধি জ্যাকুলিন এলডার। মৎস্য ও প্রানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রইসুল আলম মণ্ডলের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন এফএওএর বাংলাদেশের প্রতিনিধি রবার্ট ডওলাস সিমসন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব রিয়াল অ্যাডমিরাল (অব.) খুরশেদ আলম বিএন, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত সিডসেল ব্লেকেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু সাইদ মো. রাশেদুল হক।

ব্লু ইকোনমির বাস্তবায়নে বাংলাদেশ পাইলট দেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের বৃহত্তম বঙ্গোপসাগরে ৪৭৫ প্রজাতির মাছ আছে। এর মধ্যে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি মাছ এবং বিভিন্ন প্রকার অর্থনৈতিক ও জৈবগুরুত্বপূর্ণ সম্পদ রয়েছে। ভারত ও মিয়ানমারের এক লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার এলাকা বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় যুক্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের পাঁচ লাখ জেলে প্রায় ৭০ হাজার যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক নৌযানের সহায়তায় জীবিকা নির্বাহের সঙ্গে সঙ্গে মৎস্য উৎপাদনে ভূমিকা রাখছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা