kalerkantho

শুক্রবার। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৪ ডিসেম্বর ২০২০। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪২

২০১৮ সালের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ

এক বছরে গ্রামীণফোনের আয় ১৩২৮০ কোটি টাকা

♦ নিট মুনাফা ৩৪০০ কোটি টাকা
♦ শেয়ারপ্রতি ২৮ টাকা লভ্যাংশের সুপারিশ

বিশেষ প্রতিনিধি   

২৯ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এক বছরে গ্রামীণফোনের আয় ১৩২৮০ কোটি টাকা

২০১৮ সালে গ্রামীণফোন ১৩২.৮ বিলিয়ন (১৩ হাজার ২৮০ কোটি) টাকা রাজস্ব আয় করেছে, যা আগের বছর ২০১৭ সালের তুলনায় ৩.৪ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে সরকারি কোষাগারে দেওয়া হয়েছে আট হাজার ৪২০ কোটি টাকা। কর পরিশোধের পর নিট মুনাফা ২৬.৫ শতাংশ মার্জিনসহ তিন হাজার ৫২০ কোটি টাকা এবং ইপিএস ২৬ দশমিক ০৪ টাকা। ফোরজি লাইসেন্স, স্পেকট্রাম, টেক নিউট্রালিটি ফি ও নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নের জন্য বিনিয়োগ করা হয়েছে তিন হাজার ৪০০ কোটি টাকা। আর এ বছরের জন্য প্রতি শেয়ারের বিপরীতে ২৮ টাকা লভ্যাংশ সুপারিশ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ২০১৮ সালে রাজস্ব আয় বেড়েছে ইন্টারনেট থেকে ২১ শতাংশ এবং ভয়েস থেকে ৬.৬ শতাংশ। শুধু চতুর্থ প্রান্তিকে (অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর) রাজস্ব বেড়েছে ৭.৭ শতাংশ।

এ ছাড়া ২০১৮ সালে ৭৪ লাখ নতুন গ্রাহক গ্রামীণফোনে যোগ দিয়েছে। যুক্ত হয়েছে ৫৯ লাখ নতুন ইন্টারনেট গ্রাহক; যার ফলে গ্রামীণফোন নেটওয়ার্কে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী দাঁড়িয়েছে মোট গ্রাহকের ৫১ শতাংশ। মোট গ্রাহকসংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাত কোটি ২৭ লাখে। এর মধ্যে ইন্টারনেট গ্রাহক তিন কোটি ৭১ লাখ। গতকাল সোমবার গ্রামীণফোন তাদের এই আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

এ বিষয়ে গ্রামীণফোনের সিইও মাইকেল প্যাট্রিক ফোলি বলেন, ‘২০১৮ বাজারে খুবই প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে ছিল। কিন্তু আমাদের পরিকল্পনার সঠিক বাস্তবায়ন একটি শক্তিশালী ব্যাবসায়িক ফলাফল এনে দিয়েছি। ফেব্রুয়ারিতে আমরা ফোরজি চালু করেছিলাম এবং কঠিন প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার নানা নির্দেশাবলির কারণে এ বছর নানাবিধ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। তার পরও আমাদের ভয়েস ও ডাটা খাতে প্রবৃদ্ধি সন্তোষজনক ছিল।’

এর আগে গত ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বোর্ড সভায় ২০১৮ সালে প্রতি শেয়ারের বিপরীতে ২৮ টাকা লভ্যাংশ সুপারিশ করা হয়। এর ফলে ২০১৮ সালের মোট নগদ লভ্যাংশের পরিমাণ দাঁড়াল পরিশোধিত মূলধনের ১৫৫ শতাংশ, যা ২০১৮ সালের কর-পরবর্তী মুনাফার ১০৮ শতাংশ (এর মধ্যে রয়েছে ১২৫ শতাংশ অন্তর্বর্তী নগদ লভ্যাংশ)। রেকর্ড তারিখ আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারিতে যারা শেয়ারহোল্ডার থাকবেন তাঁরা এই লভ্যাংশ পাবেন—যা আগামী ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য ২২তম বার্ষিক সাধারণ সভার দিন শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের ওপর নির্ভরশীল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা