kalerkantho

রবিবার। ১০ নভেম্বর ২০১৯। ২৫ কার্তিক ১৪২৬। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বিবিএসকে সঠিক তথ্য বের করার তাগিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে (বিবিএস) মাঠপর্যায় থেকে সঠিক তথ্য বের করে আনার তাগিদ দিলেন নতুন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার স্বল্পমেয়াদে কোনো উন্নয়ন চায় না। উন্নয়ন যাতে টেকসই হয়, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলেও জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।

গতকাল বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিসংখ্যান ভবন মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বিবিএসকে আরো গতিশীল হতে হবে। যেকোনো নীতি কৌশল প্রণয়নে হালনাগাদ তথ্য যাতে পাওয়া যায়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।

নতুন পরিকল্পনামন্ত্রীকে গতকাল আনুষ্ঠানিকভাবে সংবর্ধনা দেয় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এবং পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ। সংবর্ধনা উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী, বিবিএস মহাপরিচালক কৃষ্ণা গায়েনসহ অন্যরা।

মতবিনিময় সভায় পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, যেকোনো নীতি কৌশল প্রণয়নের ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য থাকা জরুরি। পর্যাপ্ত ও সঠিক তথ্য না থাকলে নীতি কৌশল প্রণয়নে ভুল হয়। তথ্য না থাকলে সঠিক পরিকল্পনা নেওয়া যায় না। তবে মাঠপর্যায় থেকে জরিপ, শুমারির মাধ্যমে যেসব তথ্য সংগ্রহ করা হয়, সেটির ওপর যাতে মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে বিবিএসকে। একই সঙ্গে তথ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে। বিবিএসের কর্মকর্তাদের নির্ভয়ে কাজ করার আহ্বান জানান পরিকল্পনামন্ত্রী। খুব জরুরি না থাকলেও বিবিসের জরিপ ও শুমারিগুলোর পাশাপাশি দাপ্তরিক কাজ বাংলায় প্রকাশ করার নির্দেশ দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর ১০ উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ : এদিকে গতকাল সকালে বিবিএস মিলনায়তনে আয়োজিত আলাদা এক কর্মশালায় প্রধানমন্ত্রীর ১০টি বিশেষ উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন বিষয়ক এক কর্মশালায় এমন তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি বাস্তবায়ন বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন ও বিবিএস যৌথ উদ্যোগে এই কর্মশালা আয়োজন করে। আবুল কালাম আজাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ১০টি উদ্যোগ সফলভবে বাস্তবায়ন করা গেলে এসডিজির বেশ কিছু অভীষ্ট অর্জন করা সম্ভব হবে। তবে দেশের আয় বৈষম্য কমাতে হবে। তিনি বলেন, জাতিসংঘ ঘোষিত সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে অগ্রদূত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাংলাদেশের এই অর্জন সারা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা