kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

দরপতন থেকে ঘুরে দাঁড়াল পাউন্ড

বাণিজ্য ডেস্ক   

১৭ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দরপতন থেকে ঘুরে দাঁড়াল পাউন্ড

ব্রিটিশ পাউন্ডের ঘুরে দাঁড়ানো ব্যবসায় আশা জাগাচ্ছে

ব্রিটিশ পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মের ব্রেক্সিট চুক্তি বাতিল হওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে ব্রিটিশ পাউন্ডের দাম। যদিও আগের দিন মঙ্গলবার ডলারের বিপরীতে দাম কমেছিল। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ চুক্তি বাতিল হওয়ার কারণে নতুন আরেকটি ভালো চুক্তির সুযোগ তৈরি হলো। যদিও কোনো চুক্তি না হওয়ারও আশঙ্কা আছে। এ ছাড়া আরেকটি গণভোটের সম্ভাবনাও এড়িয়ে দেওয়া যায় না। এসব কারণেই বেড়েছে পাউন্ডের দাম। তবে সতর্ক অবস্থানে ছিল বিশ্ব শেয়ারবাজার।

গতকাল বুধবার ব্রিটিশ পাউন্ড শূন্য দশমিক ০৫ শতাংশ বেড়ে হয় ১ দশমিক ২৯ ডলার। যদিও আগের দিন মঙ্গলবার ১ শতাংশের বেশি দাম পড়েছিল। মূলত ২০১৬ সালের ২৩ জুন ব্রিটিশ গণভোট ব্রেক্সিটের পক্ষে যাওয়ার পর থেকেই ডলারের বিপরীতে পড়তে থাকে পাউন্ডের দাম। ২০১৮ সালে দাম পড়ে ৭ শতাংশ। মঙ্গলবার ব্রিটিশ এমপিরা ২০২ ভোটের বিপরীতে ৪৩২ ভোট দিয়ে টেরেসা মের ব্রেক্সিট চুক্তি বাতিল করে দেন; যা ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন কোনো সরকারের জন্য ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরাজয়।

পার্লামেন্টে চুক্তিটি বাতিলের পরও পাউন্ডের দাম কেন বাড়ল এ বিষয়ে সিআইবিসি ক্যাপিটাল মার্কেটের বিশ্লেষক জেরেমি স্ট্রেচ বলেন, যেহেতু আর্টিকেল ৫০ বিলম্বিত করার সুযোগ রয়েছে, তাই নতুন কোনো চুক্তি না হওয়ার আশঙ্কা নাকচ হয়েছে। এ ছাড়া দ্বিতীয় গণভোট কিংবা ব্রেক্সিট না হওয়ারও সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। মূলত এসব ফলাফল থেকেই পাউন্ড শক্তিশালী হয়েছে।

বিবিসির বিশ্লেষক সিমন জ্যাক বলেন, টেরেসা মের পরাজয়ের ব্যাপারে বাজার প্রস্তুত ছিল। কিন্তু তাঁর এত বড় পরাজয় বিস্ময় তৈরি করেছে। এর চেয়েও বড় বিস্ময় তৈরি করেছে পাউন্ড রাজনৈতিক ঘটনার জবাবে নিজের শক্তিশালী অবস্থান ব্যক্ত করে। মূলত এ পরাজয় ব্রেক্সিট না হওয়ার একটি সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এ কারণেই পাউন্ড তার অবস্থান ধরে রেখেছে। বিবিসি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা