kalerkantho


রেমিট্যান্স পাঠানোর স্বীকৃতি পেল ৩৭ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



রেমিট্যান্স পাঠানোর স্বীকৃতি পেল ৩৭ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান

রেমিট্যান্স অ্যাওয়ার্ড গ্রহণকারীদের সঙ্গে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, গভর্নর ফজলে কবিরসহ অন্য অতিথিরা। ছবি : কালের কণ্ঠ

সাধারণ পেশাজীবী শ্রেণিতে ২০১৭ সালে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় পাঠানোয় পুরস্কৃত হন মিজানুর রশিদ। এ শ্রেণিতে পুরস্কৃত হওয়া ডা. খলিলুর রহমান থাইল্যান্ড থেকে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠান। বাহরাইনে কর্মরত মো. শাহজাহান ইসলামী ব্যাংক, ব্রনেইর দারুসসালামে কর্মরত মোজাহিদুল ইসলাম এইচএসবিসি ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে কর্মরত জসিম উদ্দিন সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে পুরস্কৃত হন। সৌদি আরবে কর্মরত শাহীন হোসেন ইসলামী ব্যাংক, কুয়েতে কর্মরত আবুল কাশেম স্টান্ডার্ড চার্টার্ডের মাধ্যমে, ওমানে কর্মরত আব্দুল করিম ওয়ান ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে রেমিট্যান্স অ্যাওয়ার্ড পান।

গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে। রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমিতে (বিবিটিএ) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। ২০১৭ সালে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রেরণ করায় ৩৭টি অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। এর মধ্যে ২৯ জন ব্যক্তি, পাঁচটি ব্যাংক ও তিনটি প্রবাসী বাংলাদেশি মালিকানাধীন এক্সচেঞ্জ হাউস রয়েছে।

ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞ পেশাজীবী শ্রেণিতে পুরস্কৃত হন এনআরবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহতাবুর রহমান। এ ছাড়া আরব আমিরাতের কর্মরত মাহবুব আলম, খফরুল ইসলাম, ওলিউর রহমান, উমর ফারুক, আব্দুল করিম, ওয়াহিদুল ইসলাম, রিপন দত্ত, আব্দুল হাকিম ও অব্দুর নুর কাওছার পুরস্কার পান। অন্যরা হলেন কুয়েতের জাকির হোসেন ও সিঙ্গাপুরের আবু তাহের মোহাম্মদ। বন্ডে বিনিয়োগ করায় পুরস্কৃত হন সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাহবুব আলম, মোহাম্মদ মাহতাবুর রহমান, এহসানুল আজিম, ফখরুল ইসলাম, উমর ফারুক, আব্দুল করিম। এ ছাড়া সিঙ্গাপুরের আবু তাহের মোহাম্মদ, যুক্তরাজ্যের আসিফ আহমেদ, সৌদি আরবের জেড ইউ সৈয়দ পুরস্কৃত হন।

সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় আনায় পুরস্কার পায় ইসলামী ব্যাংক। ব্যাংকটির মাধ্যমে ২০১৭ সালে ২১ হাজার ৮৮০ কোটি টাকা আসে। ১০ হাজার ৯০৪ কোটি টাকা আনায় পুরস্কার পায় অগ্রণী ব্যাংক। আট হাজার ৭০৩ কোটি টাকা আনায় পুরস্কার পায় সোনালী ব্যাংক। পুরস্কার পাওয়া অন্য ব্যাংকগুলো হলো জনতা ব্যাংক ও ডাচ্-বাংলা ব্যাংক।

প্রবাসী আয় আনার তিনটি এক্সচেঞ্জ হাউসকেও পুরস্কৃত করা হয়। প্রতিষ্ঠান তিনটি হলো ন্যাশনাল এক্সচেঞ্জ কম্পানি এসআরএল, এনইসি মানি ট্রান্সফার ও প্লাসিড এনকে করপোরেশন। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘কম খরচে রেমিট্যান্স পাঠানোর যে উদ্যোগ আমরা নিয়েছিলাম, সেটার কাজ চলছে। তবে এটি শেষ করে যেতে পারব কি না, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।’

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব কামরুন নাহার আহমেদ, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আবদুর রহিম, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আবুল বশর প্রমুখ।



মন্তব্য