kalerkantho

রবিবার । ১০ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৫ জুলাই ২০২১। ১৪ জিলহজ ১৪৪২

দেড় লাখ টন তেল কিনছে বিপিসি

বাণিজ্য ডেস্ক   

২০ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দেড় লাখ টন তেল কিনছে বিপিসি

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এক লাখ ৬০ হাজার টন জ্বালানি তেল কেনার জন্য উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করেছে। টেন্ডার অনুযায়ী সরবরাহকারী কম্পানির সঙ্গে সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে এই লেনদেন সম্পন্ন হবে। সোমবার আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থা বিপিসির ওই দরপত্রে ১৮০-সেন্টিস্টোক হাই সালফার জ্বালানি তেল কেনার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দরপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা ২০ জুলাই থেকে ২ অক্টোবর। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিপিসির প্রথম উন্মুক্ত দরপত্রে ১১ মিলিয়ন ব্যারেল ডিজেল তেল এবং জেট ফুয়েল কেনার ঘোষণা দেওয়া হয়।

বিপিসি জানায়, প্রাথমিকভাবে পরিশোধিত ডিজেল (গ্যাস অয়েল) এবং বিমানের জ্বালানি জেট এ-১ তেল সরাসরি আমদানির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এ জন্য গত ১১ ফেব্রুয়ারি উন্মুক্ত পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়। জানা গেছে, চলতি বছরে বিপিসির মাধ্যমে তেলের অর্ধেক কেনা হবে এ পদ্ধতিতে। উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে তেল কেনা এখন সুবিধাজনক বলে মনে করছে বিপিসি।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেছিলেন, ‘উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে তেল কেনা পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করা হচ্ছে। বিপিসি এ ব্যাপারে কাজ করছে। সুবিধা পাওয়া গেলে এ পদ্ধতিই অনুসরণ করব।’

অলাভজনক কিংবা অপেক্ষাকৃত কম লাভজনক জিটুজি পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল আমদানির নীতি থেকে সরে আসছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। সরকারের সঙ্গে সরকারের (জিটুজি) দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির বদলে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে তেল কিনবে তেল আমদানি ও বিপণনকারী একমাত্র রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।

জ্বালানি বিভাগ ও বিপিসির একাধিক কর্মকর্তা জানান, বিদ্যমান ক্রয় পদ্ধতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমার পুরো সুবিধা পাচ্ছে না বাংলাদেশ। জিটুজি পদ্ধতিতে বর্তমানে বিপিসি ১০টি দেশ থেকে শোধিত জ্বালানি তেল এবং আবুধাবির অ্যাডনক ও সৌদি আরবের আরামকোর কাছ থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি করছে।

জিটুটি পদ্ধতিতে যেভাবে তেল কেনা হয় : সৌদি আরব ও আবুধাবি থেকে যেদিন জাহাজে অশোধিত তেল ভরা হয়, সেদিন ওই দেশের সরকার নির্ধারিত দরই হয় বিপিসির তেলের দাম। প্রতি ব্যারেল দামের সঙ্গে প্রিমিয়াম (জাহাজ ভাড়া ও ইনস্যুরেন্সসহ বিভিন্ন খরচ) যুক্ত হয়। শোধিত তেল কেনার জন্য নির্দিষ্ট ১০টি দেশের সরকারি সংস্থার মাধ্যমে ১৩টি কম্পানির সঙ্গে দুই বছরের একটি চুক্তি করা হয়। চুক্তিতে তেলের দাম উল্লেখ করা হয় না।



সাতদিনের সেরা