kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ২৬ চৈত্র ১৪২৬। ৯ এপ্রিল ২০২০। ১৪ শাবান ১৪৪১

ফেব্রুয়ারির তিন দিবস

যশোরে ফুল বিক্রির লক্ষ্য ৬০ কোটি টাকা

ফখরে আলম, যশোর   

৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যশোরে ফুল বিক্রির লক্ষ্য ৬০ কোটি টাকা

গদখালী ফুলের হাট এখন ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতিতে জমে উঠেছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

রংধনুর সাত রং ঢেউ খেলেছে গদখালীর গ্রামে গ্রামে। এই রং কৃষকের স্বপ্ন আর ঘামের ফসল। যশোরের ফুল চাষিরা বসন্তের আগমনে লাল, সাদা, বেগুনিসহ নানা রঙের সমারোহ ঘটিয়েছে। বসন্তবরণ, ভালোবাসা দিবস আর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে লক্ষ্য করে চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে ৬০ কোটি টাকার ফুল বিক্রির প্রস্তুতি নিয়েছে। তবে বৃষ্টি, অজ্ঞাত রোগে ফুল ঝরে পড়া আর প্লাস্টিক ফুলের কারণে তাজা ফুলের বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে সংশয়ে আছেন কৃষকরা। এরই মধ্যে ফুল বিক্রিও শুরু হয়েছে। এসব ফুল চলে যাচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। বেশ ভালো দামেই ফুল বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

গত বৃহস্পতিবার গদখালীর পাইকারি হাটে গ্লাডিওলাস বিক্রি হয়েছে প্রতি পিস ৩ থেকে ৮ টাকা, গোলাপ প্রতিটি ৮ থেকে ৯ টাকা, চন্দ্রমল্লিকা প্রতিটি চার থেকে পাঁচ টাকা, জারবেরা প্রতিটি ৯ টাকা আর পলি হাউসের জারবেরা বিক্রি হয়েছে প্রতিটি ১৩ টাকা।

১৯৮৫ সাল থেকে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালী ও এর আশপাশের গ্রামসহ শার্শা উপজেলার বেশ কিছু গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে ফুল চাষ হয়ে আসছে। বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটির সভাপতি আব্দুর রহিম জানান, বর্তমানে প্রায় দুই হাজার হেক্টর জমিতে ফুল চাষ হচ্ছে। এই ফুল চাষের সঙ্গে যুক্ত আছেন পাঁচ হাজার জন চাষি। এই অঞ্চলে দেশের চাহিদার ৭০ শতাংশ ফুল উৎপাদিত হয়। এই ফুল ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের অনেক জেলায় যায়। এ ছাড়া এখন কয়েকটি দেশেও ফুল রপ্তানি হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘ফেব্রুয়ারির তিন দিবসকে ঘিরে এই অঞ্চলের কৃষকরা ৬০ কোটি টাকার ফুল বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। কিন্তু আমাদের পূর্বের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১০০ কোটি টাকা। এবার অসময়ে বৃষ্টি হওয়ায় ফুলগাছের ক্ষতি হয়েছে। অজ্ঞাত রোগে গোলাপের পাপড়ি ঝরে পড়ছে। আর বাজারে আমদানীকৃত প্লাস্টিক ফুলের চাপে আমাদের উৎপাদিত তাজা ফুল বিক্রি কমে গেছে।’ গত বছর তিন উৎসবকে ঘিরে ৭০ কোটি টাকার ফুল বিক্রি হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা