kalerkantho

শুক্রবার  । ১৮ অক্টোবর ২০১৯। ২ কাতির্ক ১৪২৬। ১৮ সফর ১৪৪১              

এক দশক পর সুদের হার কমাল ফেডারেল রিজার্ভ

বাণিজ্য ডেস্ক   

৪ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এক দশকের বেশি সময় পর সুদের হার কমাল যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ। দেশের অর্থনীতিকে জাগিয়ে তুলতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘ চাপের মুখে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ফলে এ নিয়ে সমালোচনাও চলছে। তাই গত বুধবার সুদের হার কমানোর ঘোষণা দিয়ে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোমে পাওয়েল।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক পূর্বাভাস অনুকূলে, সেটিকে অব্যাহত রাখার জন্যই সুদের হার কমানো হলো। তিনি আরো বলেন, বিশ্বজুড়ে বাণিজ্যিক উদ্বেগের দুর্বল হচ্ছে বিশ্ব প্রবৃদ্ধি। এর পাশাপাশি চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অর্থনৈতিক ঝুঁকি থেকেও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে সুরক্ষা দেওয়া প্রয়োজন ছিল। তাই ২০০৮ সালের পর এই প্রথম ফেড সুদের হার ২৫ ভিত্তি পয়েন্ট কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে ফেডের সুদের লক্ষ্যমাত্রা কমে দাঁড়াল ২.০-২.২৫ শতাংশ। তিনি জানান, টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে ভবিষ্যতেও প্রয়োজন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পাওয়েল বলেন, কোনো রাজনৈতিক বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, বরং তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ ও অর্থনেতিক চিত্র সামনে রেখেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

যদিও পরবর্তী সময়ে আবারও সুদের হার কমানো হবে কি না, এ নিয়ে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে অর্থবাজারে। জেরোমে পাওয়েল বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি নিয়ে আমি আত্মবিশ্বাসী। উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।’

গত বছর চারবার সুদের হার বাড়িয়েছিল ফেডারেল রিজার্ভ, এ বছর ঠিক তার বিপরীত অবস্থানে। ডোনাল্ড ট্রাম্প অনেক দিন থেকেই সুদের হার কমানোর জন্য প্রকাশ্যে বলে আসছিলেন। এমনকি সুদের হার আরো বেশি কমানো হবে, এমন প্রত্যাশাই করছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ নিয়ে গত বুধবার এক টুইট বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ‘জেরোম পাওয়েল ও ফেডারেল রিজার্ভ থেকে মার্কেট যা শুনতে চাচ্ছে এটি হচ্ছে সুদের হার কমানোর সেই যাত্রার শুরু। এর মধ্য দিয়ে চীন, ইইউসহ অন্য দেশগুলোর বিপরীতে পথচলা অব্যাহত রাখা যাবে। আমরা জিতে যাচ্ছি সত্য, কিন্তু ফেডারেল রিজার্ভ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাচ্ছি না।’ রয়টার্স, এফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা