kalerkantho

বাজার মূলধন বেড়েছে ১৭১৭ কোটি টাকা

চমকের পর দর হারাল মিউচ্যুয়াল ফান্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চমকের পর দর হারাল মিউচ্যুয়াল ফান্ড

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সিদ্ধান্তে পুনর্বিনিয়োগ ইউনিট লভ্যাংশ বাতিলে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটে বড় উল্লম্ফন ঘটে। ইউনিট কিনতে আগ্রহ বাড়লে চমকের পর এবার পতনের দাম হারানোর শীর্ষে মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দাম কমার শীর্ষ ১০টি কম্পানির মধ্যে ৯টিই মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এদিকে সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেন, মূল্যসূচক ও বাজার মূলধন বেড়েছে।

সম্প্রতি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মিউচ্যুয়াল ফান্ডে লভ্যাংশ হিসেবে রি-ইনভেস্টমেন্ট ইউনিট বাতিল করে নগদ লভ্যাংশ দিতে নির্দেশ দিয়েছে বিএসইসি। নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগকারীর আগ্রহ থাকলেও লভ্যাংশ নিয়ে অরাজকতায় অনেকেই মুখ ফিরিয়ে নেয়। এতে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ারের দাম তলানিতে নেমে যায়। সম্প্রতি নিয়ন্ত্রক সংস্থার সিদ্ধান্তে গতি পায় মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

ডিএসই সূত্রে জানা যায়, দাম হারানো শীর্ষ কম্পানির মধ্যে ৯টিই মিউচ্যুয়াল ফান্ড। সর্বোচ্চ ৩৭.৩৮ শতাংশ পর্যন্ত ইউনিটের দাম কমেছে। সবচেয়ে বেশি দর কমেছে ভ্যানগার্ড এএমএল রূপালী ব্যালান্সড ফান্ডের। তবে দাম কমলেও সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে এসইএমএল লেকচার ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট ফান্ডের।

দাম হারানোর শীর্ষে থাকা মিউচ্যুয়াল ফান্ড হলো—ভ্যানগার্ড এএমএল রূপালী ব্যাংক ব্যালান্সড ফান্ড, ভ্যানগার্ড এএমএল বিডি ফাইন্যান্স মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান, এসইএমএল আইবিবিএল শরিয়াহ ফান্ড, এসইএমএল লেকচার ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট ফান্ড, সিএপিএম বিডিবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ড-১, এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, এসইএমএল এফবিএলএসএল গ্রোথ ফান্ড, ইবিএল ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও পিএইচপি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

বাজার চিত্র : সপ্তাহজুড়ে পুঁজিবাজারে লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে বেড়েছে। ডিএসইর লেনদেন বেড়েছে ১০.২০ শতাংশ, সূচক বেড়েছে ৩৬ পয়েন্ট বা ০.৭১ শতাংশ আর বাজার মূলধন বেড়েছে ০.৪৫ শতাংশ বা ১৭১৭ কোটি টাকা।  ডিএসইর তথ্যানুযায়ী, সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছে দুই হাজার ২০২ কোটি ২৩ লাখ টাকা। প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ৪৪০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ৯৯৮ কোটি টাকা আর গড় লেনদেন ছিল ৩৯৯ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। ডিএসইতে লেনদেন বাড়লেও শেয়ার হাতবদলের সংখ্যা আগের সপ্তাহের চেয়ে হ্রাস পেয়েছে। ডিএসইর তিন সূচকই আগের সপ্তাহের চেয়ে বেড়েছে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক বেড়েছে ১৮ পয়েন্ট বা ১.৫৭ শতাংশ, ডিএস-৩০ সূচক বেড়েছে ২.৩১ পয়েন্ট বা ০.১৩ শতাংশ আর ডিএসইএক্স সূচক বেড়েছে ০.৭১ শতাংশ বা ৩৬ পয়েন্ট।

ডিএসইতে বাজার মূলধন বেড়েছে এক হাজার ৭১৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইতে বাজার মূলধন ছিল তিন লাখ ৮৪ হাজর ৪৬৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা। সপ্তাহ শেষে এই মূলধন দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৮৬ হাজর ১৮৫ কোটি টাকা।

মন্তব্য