kalerkantho

সোমবার। ২৭ মে ২০১৯। ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ২১ রমজান ১৪৪০

২০২৮ সালে জিডিপিতে পর্যটনের অবদান বেড়ে হবে ৬.৮%

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



২০২৮ সালে জিডিপিতে পর্যটনের অবদান বেড়ে হবে ৬.৮%

বিমান বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ারের সমাপনী অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী

২০১৭ সালে বাংলাদেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ছিল ৪.৩ শতাংশ। ২০২৮ সালে তা বেড়ে হবে ৬.৮ শতাংশ। ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিল (ডাব্লিউটিটিসি) প্রকাশিত তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, পর্যটন খাতের বিকাশে বড় ভূমিকা রাখছে সরকারের ডিজিটাল প্রযুক্তির উন্নয়ন। মানুষ এখন ইন্টারনেট ব্যবহার করে পর্যটন গন্তব্য সম্পর্কে খবর নেয়। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইট ও পেজ রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি তাদের ওয়েববসাইট ও পেজগুলোকে আরো পর্যটকবান্ধব এবং তথ্যবহুল করতে।

গতকাল শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বিমান বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার ২০১৯’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশ এবং বিদেশে পর্যটনের বিকাশে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একটি পর্যটন গন্তব্যকে সঠিকভাবে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের কোনো বিকল্প নেই।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডাব্লিউটিটিসির ২০১৯ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১৭ সালে বাংলাদেশের জিডিপিতে পর্যটন ও ভ্রমণ খাতের অবদান ছিল ৮৫০.৭ বিলিয়ন টাকা। এটা মোট জিডিপির ৪.৩ শতাংশ। ২০২৮ সাল নাগাদ তা বাংলাদেশের মোট জিডিপির ৬.৮ শতাংশে উন্নীত হবে। ২০১৭ সালে ২৪ লাখ ৩২ হাজার কর্ম তৈরিতে সরাসরি সহায়তা করেছে পর্যটন ও ভ্রমণশিল্প, যা মোট কর্মসংস্থানের ৩.৮ শতাংশ। ২০২৮ সালের মধ্যে তা ৪.২ শতাংশে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি তৌফিক উদ্দিনের সভাপতিত্বে  অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন ভারতের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাগমিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. ভুবন চন্দ্র বিশ্বাস, আসাম ট্যুরিজম করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ভাস্কর গোখান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস্ লিমিটেডের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক শাকিল মেরাজ, টোয়াবের পরিচালক তসলিম আমিন শোভন।

মন্তব্য