kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

ভারতে বেকারত্ব বেড়ে ৪৫ বছরে সর্বোচ্চ

বাণিজ্য ডেস্ক   

৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



২০১৭-১৮ অর্থবছরে ভারতে বেকারত্ব বেড়ে ৪৫ বছরে সর্বোচ্চ হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার দেশটির বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকা সরকারি সূত্র উদ্ধৃত করে এ তথ্য দিয়েছে, যা জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্য একটি ধাক্কা হিসেবে মনে করা হচ্ছে।

ভারতের ন্যাশনাল স্যাম্পল সার্ভে অফিস ২০১৭ সালের জুলাই থেকে ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত এ জরিপ পরিচালনা করে। এতে বলা হয়, ভারতে বেকারত্বের হার বেড়ে হয়েছে ৬.১ শতাংশ, যা ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের পর সর্বোচ্চ বলে জানায় বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, বেকারত্বের হার শহর এলাকায় ৭.৮ শতাংশ, গ্রামীণ এলাকায় ৫.৩ শতাংশ। ২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দুটি বড় নোট বাতিলের পর থেকে এটিই দেশের বেকারত্ব নিয়ে প্রথম সমন্বিত একটি মূল্যায়ন। সে কারণেই এটি গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া নির্বাচনের আগে এ তথ্য প্রকাশ হওয়ায় এটি রাজনৈতিক ইস্যুতেও পরিণত হয়েছে।

পত্রিকাটি জানায়, ভারতের অর্থনীতি বার্ষিক ৭ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে, যা বিশ্বের বড় অর্থনৈতিক দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত প্রবৃদ্ধি। কিন্তু এ প্রবৃদ্ধি অসম, যা প্রতিবছর চাকরির বাজারে প্রবেশ করা ভারতের লাখ লাখ তরুণের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারছে না। ফলে জোরালো প্রবৃদ্ধিতে তৃপ্ত মোদি সরকারের জন্য নির্বাচনকে সামনে রেখে এটি চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে। আগামী মে মাসে ভারতের জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এ মাসের শুরুতে বেসরকারি থিংক ট্যাংক সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি জানায়, গত বছর দেশ থেকে হারিয়ে গেছে এক কোটি ১০ লাখ চাকরি।

এদিকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্বল্প সুদে ঋণ ও দুর্ঘটনাজনিত ফ্রি বীমা সুবিধা দেওয়ার চিন্তা করছেন নরেন্দ্র মোদি। বিষয়টির সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট দুটি সরকারি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছে কয়েক লাখ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এ সুবিধার আওতায় পড়বে। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীদের কাছে টানার উদ্দেশ্যেই মোদি এমন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন বলে জানা যায়।

নরেন্দ্র মোদির ৫০০ ও ১০০০ রুপির নোট বাতিলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। এর পরপরই দ্রুত বাস্তবায়ন করা হয় জিএসটি। এতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের খরচ বেড়ে যায়। ফলে নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মন জয়ের উদ্দেশ্যে নরেন্দ্র মোদি বেশ কিছু পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। রয়টার্স।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা