kalerkantho

সোমবার । ২১ অক্টোবর ২০১৯। ৫ কাতির্ক ১৪২৬। ২১ সফর ১৪৪১       

৩৯৮৬ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দিল ডাচ্-বাংলা ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৩৯৮৬ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দিল ডাচ্-বাংলা ব্যাংক

দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তির টাকা দিয়েছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক। ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সায়েম আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। ছবি : কালের কণ্ঠ

২০১৮ সালের উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করা তিন হাজার ৯৮৬ জন দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীকে বৃত্তির টাকা দিয়েছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক। গতকাল শনিবার সকালে রাজধানীর মিরপুরের ইনডোর স্টেডিয়ামে এক অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে বৃত্তির টাকা দেওয়া হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সায়েম আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কাশেম মো. শিরিন প্রমুখ।

এ সময় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের স্নাতক পর্যায়ে প্রতি মাসে দুই হাজার ৫০০ টাকা ও পাঠ্য উপকরণ দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে পোশাক-পরিচ্ছদের জন্য বার্ষিক ছয় হাজার টাকা দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘সবার জন্য মানসম্পন্ন শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা আমাদের জাতীয় কর্তব্য। সরকারের একার পক্ষে এই বিশাল দায়িত্ব পালন করা কঠিন ব্যাপার। তাই সরকারের পাশাপাশি সব বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এমনকি ব্যক্তিবিশেষ এগিয়ে এলে সরকার নতুনভাবে উজ্জীবিত হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করতে চাই এবং এটি করতে হলে সবচেয়ে বড় যে জিনিসটা প্রয়োজন হবে সেটা হলো মানসম্পন্ন শিক্ষা। আমাদের মনে রাখতে হবে এই প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে বেঁচে থাকতে হলে এই শিক্ষা দিয়েই আমাদের বেঁচে থাকতে হবে। সে জন্যই আমরা শিক্ষার ওপর জোর দিয়েছি।’

দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘তোমাদের আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও পাড়া-প্রতিবেশীদের এই বার্তা দেবে যে অর্থের অভাবে এখন আর কারো লেখাপড়া বন্ধ থাকবে না। যার জীবন্ত উদাহরণ ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের বৃত্তিপ্রাপ্ত তিন হাজার ৯৮৬ জন শিক্ষার্থী। লেখাপড়া করতে হলে যে জিনিসটা থাকতে হবে সেটা হলো মেধা, শ্রম ও ইচ্ছাশক্তি। কারো মধ্যে এই তিনটি গুণ থাকলে তার লেখাপড়া কেউ বন্ধ করতে পারবে না। সে সফল হবেই।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা