kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

উদ্যোক্তা

ইলেকট্রিক ও স্বচালিত গাড়িতে বিনিয়োগ কমানো জরুরি

বাণিজ্য ডেস্ক   

৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ইলেকট্রিক ও স্বচালিত গাড়িতে বিনিয়োগ কমানো জরুরি

ইলেকট্রিক ও স্বচালিত গাড়ি নির্মাণে বিশ্বে যে বিনিয়োগ প্রতিযোগিতা চলতে থাকে তাতে কোনো অংশে পিছিয়ে নেই গাড়ি ও গাড়ির যন্ত্রাংশ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাগনা ইন্টারন্যাশনাল। কম্পানিটি আগামী এক দশকে এ খাতে ৩০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

তবে মাগনার সিইও ডোনাল্ড (ডন) জে ওয়াকার বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁর মতে, ইলেকট্রিক ও স্বচালিত গাড়িতে যে বিনিয়োগ হচ্ছে তাতে লাগাম টানা উচিত। এর স্থলে আরো বেশি অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে হবে। ডেট্রয়েটে অটোমোটিভ নিউজ ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, আগামী এক দশকে ইলেকট্রিক গাড়িকে ব্যাপকভাবে বাজারজাত করতে আমরাও উদ্যোগ নিয়েছি। তবে ইলেকট্রিক ও স্বচালিত গাড়ি তৈরিতে যে পরিমাণ অর্থ ঢালা হচ্ছে তা কমিয়ে আনা উচিত। কারণ দিন শেষে ভোক্তারা সাশ্রয়ী পরিবহনই চায়। এ শিল্পে যে অর্থ আমরা ঢালছি সে ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী হওয়া প্রয়োজন।

গত সপ্তাহে ফোকসভাগেন এজি এবং ফোর্ড মোটর জানিয়েছে তারা ইলেকট্রিক ও স্বচালিত বাণিজ্যিক ভ্যান ও পিকআপ তৈরিতে একসঙ্গে কাজ করবে। এতে তারা বিনিয়োগ সমন্বয় করতে পারবে। বড় বড় তেল, টেলিকম ও প্রযুক্তি কম্পানিগুলোও এ খাতে বিপুল অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করছে ব্যাটারি স্টার্টআপস এবং চার্জিং স্টেশন ইত্যাদি তৈরিতে। ওয়াকাল বলেন, বিপুল এ বিনিয়োগের ফল খুব দ্রুত আসবে না।

বিশ্বের তৃতীয় বৃহৎ গাড়ির যন্ত্রাংশ সরবরাহ প্রতিষ্ঠান অন্টরিওভিত্তিক মাগনা ইন্টারন্যাশনাল। কম্পানিটির হিসাব অনুযায়ী ২০২৫ সাল নাগাদ গাড়ির বাজারের ৪ থেকে ৬ শতাংশ পূরণ করবে ইলেকট্রিক গাড়ি জানালেন ওয়াকার।

তিনি বলেন, ‘আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ স্বচালিত গাড়ির বার্ষিক বিক্রি হবে ৮০ থেকে ৯৫ বিলিয়ন ডলার। বাজারের ৭ শতাংশ হবে স্বচালিত গাড়ি। এটা হবে অনেক বড় একটি প্রচেষ্টা, অনেক প্রতিষ্ঠানই এ নিয়ে কাজ করছে। তাই আমি মনে করি আমাদের অনেক বেশি সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

কানাডার গাড়ি খাতে অন্যতম প্রভাবশালী সিইও ডোনাল্ড (ডন) জে ওয়াকার। এ খাতে তিনি ১৯৮০ সালে ক্যারিয়ার শুরু করেন। ১৯৯৪ সালে তিনি মাগনা ইন্টারন্যাশনালের সিইও হন। ২০১৭ সালে তিনি কানাডার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী সিইও বিবেচিত হন।

গাড়ি খাতে সফল নেতৃত্বের কারণে নানা স্বীকৃতি পেয়েছেন ডন ওয়াকার। ২০১৪ সালে দ্য গ্লোব অ্যান্ড মেইল ‘সিইও অব দ্য ইয়ার’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। ২০১৫ সালে ফরচুন ম্যাগাজিন তাঁকে ‘বিজনেস পারসন অব দ্য ইয়ার’ করে। ২০১৭ সালে টরন্টো স্টার তাঁকে ‘কি প্লেয়ারস টু ওয়াচ ইন ২০১৭’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। রয়টার্স, উইকিপিডিয়া।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা