kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বাণিজ্যযুদ্ধ বন্ধে সমঝোতার প্রস্তাব

যুক্তরাষ্ট্রের ১ ট্রিলিয়ন ডলারের পণ্য কিনবে চীন

বাণিজ্য ডেস্ক   

২০ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



যুক্তরাষ্ট্রের ১ ট্রিলিয়ন ডলারের পণ্য কিনবে চীন

বাণিজ্য যুদ্ধ থামাতে এবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি সমঝোতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে চীন। দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বিপুল পণ্য ক্রয়ের প্রস্তাব দিয়েছে। গত শুক্রবার ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে। এর আগের দিন ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের ওপর থেকে শুল্ক তুলে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন।

একটি সূত্রের বরাত দিয়ে ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী ছয় বছর ক্রমান্বয়ে উল্লেখযোগ্যহারে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য ক্রয় বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে চীন। এতে দুই বৃহৎ অর্থনৈতিক দেশের বাণিজ্যে ভারসাম্য আসবে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে বার্ষিক আমদানি বৃদ্ধির মাধ্যমে ২০২৪ সাল নাগাদ বাণিজ্য ঘাটতি শূন্যতে নামিয়ে আনবে বেইজিং। এ জন্য চীনকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করতে হবে। দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি বর্তমানে ৩২৩ বিলিয়ন ডলার।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধ নিরসনে আলোচনা চলছে। যাতে আশা করা যায়, আগামী মার্চের আগেই এ সমস্যার সমাধান হবে।

এর আগে আর্জেন্টিনার বুয়েন্স এইরেস এক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং ৯০ দিনের বাণিজ্য যুদ্ধ বিরতিতে একমত হয়েছিলেন। বেঁধে দেওয়া সময় আগামী মার্চের মধ্যে শেষ হবে। তখন ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন এ সময়ের মধ্যে বাণিজ্য বিরোধ নিরসন না হলে চীনা পণ্যে শুল্ক দ্বিগুণ করা হবে এবং সব পণ্যে শুল্ক আরোপ হবে।

কিন্তু সাম্প্রতিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা চীনা পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক তুলে নেওয়ার কথা চিন্তা করছেন। একটি ন্যায্য চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য বেইজিংকে প্রণোদনা দেওয়া হবে। গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের ২০০ বিলিয়ন ডলার পণ্যে শুল্ক আরোপ করেন। একই সঙ্গে হুমকি দেন বেইজিং পাল্টা জবাব দিলে আরো শুল্ক আরোপ করবেন। এরপর দুই দেশ একে অন্যের ওপর পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপ করলেও গত ডিসেম্বরে আর্জেন্টিনায় জি-২০ সম্মেলনের ফাঁকে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত হতে থাকে।

এরপর গত সপ্তাহে আবারও যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের কর্মকর্তারা মুখোমুখি বসেছেন। দীর্ঘ এক দিনের ওই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের আরো শিল্প ও কৃষিপণ্য কিনতে রাজি হয় চীন। এর পাশাপাশি চীনের বাজারে যুক্তরাষ্ট্রের কম্পানিগুলোকে আরো সুযোগ দেওয়ার ব্যাপারেও সম্মত হয়। তবে বাণিজ্য যুদ্ধ শেষ হওয়ার ব্যাপারে কিছু ঝুঁকিও রয়েছে। তার অন্যতম যুক্তরাষ্ট্রের নির্দেশে হুয়াওয়ে টেকনোলজিসের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) এবং ডেপুটি চেয়ার উইম্যান মেং ওয়ানঝহোকে কানাডায় গ্রেপ্তার। ইয়াহু ফিন্যান্স।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা