kalerkantho

সোমবার । ১৮ নভেম্বর ২০১৯। ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তি

ওয়ালটনের রোড শো ১৫ জানুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৬ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আরো ব্যাপকভাবে আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে পুঁজিবাজারে আসছে ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। শিগগিরই বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) যাচ্ছে ওয়ালটন। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু) রুলস ২০১৫ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি রোড শো আয়োজন করছে। আগামী ১৫ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ওয়ালটনের করপোরেট কার্যালয়ে রোড শো অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিনিয়োগকারীদের কাছে কম্পানির পরিচিতি, আর্থিক অবস্থা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং আইপিওসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছে ওয়ালটন।

শেয়ারবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে ওয়ালটন। উত্তোলিত এ অর্থ ওয়ালটনের কারখানার সম্প্রসারণ, আধুনিকায়ন, গবেষণা ও মান উন্নয়ন, ব্যাংক লোনের আংশিক দায় পরিশোধ এবং আইপিও খরচ সংকুলান খাতে ব্যয় করা হবে। ট্রিপল এ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডকে ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে এবং প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডকে রেজিস্ট্রারার টু দ্য ইস্যু হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

কম্পানি সেক্রেটারি মো. ইয়াকুব আলী এফসিএ বলেন, ওয়ালটন দেশের শীর্ষ ব্র্যান্ড এবং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ক্রেডিট রেটিংয়ের সর্বোচ্চ মান ট্রিপল এ রেটেড কম্পানি।

আগ্রহী ও উপযুক্ত বিনিয়োগকারীদের রোড শোতে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়ে তিনি আরো বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বৈদেশিক মুদ্রা আয় ও সঞ্চয়, খেলাধুলার প্রসার ও বিকাশ এবং সবুজ প্রযুক্তি (গ্রিন টেকনোলজি) ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষাসহ জিডিপি বৃদ্ধিতে বিশেষ অবদান রাখছে ওয়ালটন।

ওয়ালটনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এবং সিএফও আবুল বাসার হাওলাদার বলেন, উদ্ভাবনী প্রযুক্তি পণ্যের পূর্ণাঙ্গ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন। বিশ্ব পরিমণ্ডলে ২০২১ সালের মধ্যে ওয়ালটন গ্লোবাল ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৮) হিসাব অনুযায়ী কম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১০ টাকা ৪১ পয়সা এবং নিট পরিসম্পদ মূল্য ২০৮ টাকা। পুঁজিবাজারে প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত মূলধন ৬০০ কোটি টাকা। আর পরিশোধিত মূলধন ৩০০ কোটি টাকা।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা