kalerkantho

সোমবার । ১৮ নভেম্বর ২০১৯। ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ব্যাচেলরদের বাড়ি ভাড়া দেওয়ার সুবিধা

আমাদের দেশের বাড়িওয়ালারা ব্যাচেলরদের বাসা ভাড়া দিতে চান না। কিন্তু ব্যাচেলরদের বাড়ি ভাড়া দিলে অনেক রকম সুবিধা পাওয়া যায়। জানাচ্ছেন রাজিব দেবনাথ

২২ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যাচেলরদের বাড়ি ভাড়া দেওয়ার সুবিধা

♦ ব্যাচেলররা রাস্তাঘাটে, হাটে-বাজারে যেখানেই বাড়িওয়ালাকে দেখে, লম্বা করে সালাম দেয়। তাই এলাকায় খুব সহজেই বাড়িওয়ালার মান-সম্মান বৃদ্ধি পায় তা নিশ্চিত।

♦ ব্যাচেলররা অত কাপড়চোপড় ধোয়ার ভেজালে যায় না। তারা এক কাপড়েই বডি স্প্রে ছিটিয়ে দিনের পর দিন পার করে দেয়। তাই বাড়িওয়ালার পানির বিলের ওপর যে চাপ কমে, তাতে কোনো দ্বিমত নেই।

♦ ব্যাচেলরদের ঘরে সাধারণত ভারী আসবাবপত্র থাকে না। ফ্লোরিংই তাদের ভরসা। তাই বাড়িওয়ালার বিল্ডিংয়ের ওপর এক্সট্রা চাপ পড়ে না। তাই অনায়াসেই বাড়িওয়ালা পাঁচতলার পারমিশন নিয়ে ছয়তলা বানিয়ে ফেলতে পারেন, বিল্ডিং ভেঙে পড়ার কোনো আশঙ্কা নেই।

♦ বাড়িওয়ালার বাসায় বিয়ে, গায়েহলুদ, জন্মদিন, সুন্নতে খতনা বা অন্য কোনো অনুষ্ঠান হলে আলাদা করে আর সাউন্ড সিস্টেম ভাড়া করতে হয় না। এ রকম দু-চারটি অনুষ্ঠান কভার দেওয়ার মতো সাউন্ড সিস্টেম ব্যাচেলরদের ঘরেই থাকে।

♦ রাগ করে বাড়িওয়ালার স্ত্রী বাপের বাড়ি চলে গেলেও বাড়িওয়ালাকে খাওয়াদাওয়া নিয়ে টেনশন করতে হয় না। অনায়াসে কয়েক দিন ব্যাচেলরদের সঙ্গে কাটিয়ে দিতে পারে।

♦ ফ্যামিলি বাসা ভাড়া দিলে রাত-দুপুরে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়াঝাঁটি, দাঙ্গা-হাঙ্গামার আশঙ্কা প্রবল। ব্যাচেলরদের  তেমন সমস্যা নেই।

♦ ব্যাচেলররা তেমন কিছু খায়ও না। তাই ওদের ভাড়া দিলে পাশের বাসায় রান্নার সুঘ্রাণ পাওয়ার মতো অস্বস্তিকর পরিস্থিতি হয় না।

♦ ব্যাচেলররা সাধারণত রাত জাগে। তারা গভীর রাতে ঘুমাতে যায়। তাই রাতে চোর-ডাকাত বাড়ির ধারেকাছেও ঘেঁষে না। বাড়িওয়ালা তাঁর বাড়ির নিরাপত্তার ব্যাপারে নিশ্চিত থাকতে পারে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা